নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিশেষ সভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে দলীয় কার্যালয় দখল ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় একপক্ষ হামলা চালিয়ে কার্যালয়ের দোতলার গ্লাস ও অফিসে থাকা আসবাব ভাঙচুর করে।
জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মিয়া সম্প্রতি দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ৬ মে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকের স্বাক্ষরিত পত্রে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন মিয়া ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তিনি গতকাল বেলা ৩টায় দলের কার্যালয়ে বিশেষ সভা আহ্বান করেন।
এ সভাকে অসাংগঠনিক দাবি করে ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর সমর্থকেরা দলীয় কার্যালয়ে ও সদরে প্রবেশের বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেন। বিকেল ৪টার দিকে জামাল হোসেন মিয়া নেতা-কর্মী নিয়ে দলীয় কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় কুমার নদের সেতু পার হলে তাঁর পথরোধ করা হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। এ সময় পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একপর্যায়ে জামাল হোসেন মিয়া বাধা উপেক্ষা করে দলীয় কার্যালয় দখল করেন।
জামাল হোসেন মিয়া বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে জেলা কমিটি আমাকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছে। আমি দায়িত্ব পেয়ে উপজেলা কমিটির সভাপতিসহ অন্য নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে সভা আহ্বান করেছি। এমপি শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর হুকুমে কিছু নব্য আওয়ামী লীগার সভা বানচাল করতে আমাকে বাধা দেন। আমার সমর্থকেরা বাধা উপেক্ষা করে দলীয় অফিসে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সভা শেষ করে চলে এসেছি। পরে শুনতে পেয়েছি ওই নব্য আওয়ামী লীগারা এসে অফিসে ভাঙচুর চালান।’
সংসদ সদস্য শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় গঠনতন্ত্রমতে জ্যেষ্ঠ পদে থাকা কোনো নেতা কনিষ্ঠ পদে ভারপ্রাপ্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে আমি দলীয় নেত্রীর কাছে আবেদন করেছি। এর মধ্যেই জামাল হোসেন মিয়া কিছু সন্ত্রাসী লোক নিয়ে দলীয় অফিসে এসে ভাঙচুর চালান। এ সময় অফিসে থাকা আসবাব, বঙ্গবন্ধুর ছবি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করা হয়। আমি এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
থানার ওসি মিরাজ হোসেন বলেন, ‘শটগানের ২৪টি ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।’

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিশেষ সভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে দলীয় কার্যালয় দখল ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় একপক্ষ হামলা চালিয়ে কার্যালয়ের দোতলার গ্লাস ও অফিসে থাকা আসবাব ভাঙচুর করে।
জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মিয়া সম্প্রতি দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ৬ মে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকের স্বাক্ষরিত পত্রে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন মিয়া ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তিনি গতকাল বেলা ৩টায় দলের কার্যালয়ে বিশেষ সভা আহ্বান করেন।
এ সভাকে অসাংগঠনিক দাবি করে ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর সমর্থকেরা দলীয় কার্যালয়ে ও সদরে প্রবেশের বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেন। বিকেল ৪টার দিকে জামাল হোসেন মিয়া নেতা-কর্মী নিয়ে দলীয় কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় কুমার নদের সেতু পার হলে তাঁর পথরোধ করা হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। এ সময় পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একপর্যায়ে জামাল হোসেন মিয়া বাধা উপেক্ষা করে দলীয় কার্যালয় দখল করেন।
জামাল হোসেন মিয়া বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে জেলা কমিটি আমাকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছে। আমি দায়িত্ব পেয়ে উপজেলা কমিটির সভাপতিসহ অন্য নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে সভা আহ্বান করেছি। এমপি শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর হুকুমে কিছু নব্য আওয়ামী লীগার সভা বানচাল করতে আমাকে বাধা দেন। আমার সমর্থকেরা বাধা উপেক্ষা করে দলীয় অফিসে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সভা শেষ করে চলে এসেছি। পরে শুনতে পেয়েছি ওই নব্য আওয়ামী লীগারা এসে অফিসে ভাঙচুর চালান।’
সংসদ সদস্য শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় গঠনতন্ত্রমতে জ্যেষ্ঠ পদে থাকা কোনো নেতা কনিষ্ঠ পদে ভারপ্রাপ্ত হতে পারবেন না। এ বিষয়ে আমি দলীয় নেত্রীর কাছে আবেদন করেছি। এর মধ্যেই জামাল হোসেন মিয়া কিছু সন্ত্রাসী লোক নিয়ে দলীয় অফিসে এসে ভাঙচুর চালান। এ সময় অফিসে থাকা আসবাব, বঙ্গবন্ধুর ছবি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করা হয়। আমি এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
থানার ওসি মিরাজ হোসেন বলেন, ‘শটগানের ২৪টি ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে