ঢাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) টিমের ওপর রাবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয় দর্শকদের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’—বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।
বিক্ষোভ মিছিলে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ বলেন, পরাজয়ের অন্তিম মুহূর্তে পৌঁছে মুহূর্তেই মাঠে দর্শক প্রবেশ করে পরিকল্পিতভাবে খেলাটাকে ভন্ডুল করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টিমের ওপর স্টাম্প, রড, লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। অনেকের মাথা ফেটেছে, হাত পা কেটে গেছে। প্রশাসনের যে পরিমাণ নিরাপত্তা বিধান করা দরকার ছিল, সেই পরিমাণ নিরাপত্তা বিধান করতে পারেনি। তাঁদের দায়িত্ব অবহেলা এবং কাণ্ডজ্ঞানহীনতার কারণেই এই ধরনের একটা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। যাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে তাঁদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়ার পর যে পাল্টাবিবৃতি দেওয়া হয়েছে—সেটিরও নিন্দা জানান মুসাদ্দিক।
হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনসহ সচেতন সমাজ।
শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়—এ ধরনের অস্বাভাবিক ও অপ্রীতিকর ঘটনার পুনরাবৃত্তি সার্বিকভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অদক্ষতা ও ব্যর্থতার পরিচয় বহন করে। আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট দলের ওপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ন্যক্কারজনক হামলায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। একই সাথে ঘটনায় জড়িতদের বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ঢাবি শাখার সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সাদিক ও সাধারণ সম্পাদক আরফাত সাদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের অখেলোয়াড়সুলভ হামলার জন্য প্রধানত দায়ী—খেলার আয়োজক এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। যাদের দায়িত্ব ছিল খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পদক্ষেপ কি নেওয়া যায়, তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভাবছে। বিষয়টি নজর রাখা হচ্ছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) টিমের ওপর রাবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয় দর্শকদের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’—বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।
বিক্ষোভ মিছিলে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ বলেন, পরাজয়ের অন্তিম মুহূর্তে পৌঁছে মুহূর্তেই মাঠে দর্শক প্রবেশ করে পরিকল্পিতভাবে খেলাটাকে ভন্ডুল করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টিমের ওপর স্টাম্প, রড, লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। অনেকের মাথা ফেটেছে, হাত পা কেটে গেছে। প্রশাসনের যে পরিমাণ নিরাপত্তা বিধান করা দরকার ছিল, সেই পরিমাণ নিরাপত্তা বিধান করতে পারেনি। তাঁদের দায়িত্ব অবহেলা এবং কাণ্ডজ্ঞানহীনতার কারণেই এই ধরনের একটা ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। যাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে তাঁদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়ার পর যে পাল্টাবিবৃতি দেওয়া হয়েছে—সেটিরও নিন্দা জানান মুসাদ্দিক।
হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনসহ সচেতন সমাজ।
শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়—এ ধরনের অস্বাভাবিক ও অপ্রীতিকর ঘটনার পুনরাবৃত্তি সার্বিকভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অদক্ষতা ও ব্যর্থতার পরিচয় বহন করে। আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট দলের ওপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ন্যক্কারজনক হামলায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। একই সাথে ঘটনায় জড়িতদের বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ঢাবি শাখার সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সাদিক ও সাধারণ সম্পাদক আরফাত সাদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের অখেলোয়াড়সুলভ হামলার জন্য প্রধানত দায়ী—খেলার আয়োজক এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। যাদের দায়িত্ব ছিল খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পদক্ষেপ কি নেওয়া যায়, তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ভাবছে। বিষয়টি নজর রাখা হচ্ছে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে