নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সাত নম্বর কক্ষ। এখানেই সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণে নিহতদের নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে। মেডিকেল স্টাফদের দম ফেলার ফুরসত নেই! ঝড়ের বেগে কলম চলছে।
এদিকে নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে এই কক্ষের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। স্বজন হারানো মানুষের শুধু বিলাপ কানে আসছে। তাঁরা কী বলছেন বিলাপের বিষাদে সেটি তলিয়ে যাচ্ছে!
এমন এক পরিবেশে নিবন্ধন ডেস্কের পাশে দাঁড়িয়ে নিবন্ধন বইয়ের দিকে অপলক চেয়ে আছেন তাজুল ইসলাম ভূইয়া (৫৩)। ছলছল চোখ, গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়া কান্নার জলের শুকনো দাগ স্পষ্ট। হঠাৎ ফোন বেজে উঠল, রিসিভ করেই অপর প্রান্ত থেকে ধরা গলায় কেউ বলছেন, 'ভাইয়েরে তো চেনা যায় না। মুখ পুইড়া ছাই। একটা দাড়িও নাই!'
পঞ্চাশোর্ধ্ব তাজুল এবার আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। দরদর করে গাল বেয়ে পানি পড়তে লাগল তাঁর। নিঃশব্দে অঝোরে কেঁদে চললেন। ওপাশ থেকে হয়তো কিছু জানতে চাওয়া হলো। জবাবে তাজুল কান্নারুদ্ধ কণ্ঠে বললেন, 'এখন এন্ট্রি করা হইলো। লাশ কখন নিতে পারমু জানি না।'
ফোনে কথা শেষ হওয়ার পরই সন্তর্পণে কাছে গিয়ে কিছু কথা জানতে চাই তাজুল ইসলামের কাছে। জানা গেল, বিস্ফোরণ যেখানে ঘটেছে তার পাশের ভবনেই ইউসুফ স্যানিটারি। তাঁর বড় ভাই নূরুল ইসলাম ভূইয়া এই দোকানের মালিক। প্রতিদিনের মতো আজও নুরুল এসেছিলেন দোকানে। এখন হাসপাতালে মর্গে তাঁর নিথর দেহ। স্বজনেরা মরদেহ বুঝে পাওয়ার জন্য বুকে পাথর চেপে অপেক্ষা করছেন।
দশ দিন আগেই কাতার থেকে দেশে ফিরেছেন বংশাল সুরিটোলার সুমন (২১)। শবে বরাতে রোজা রেখেছেন বাবা-মা। তাঁদের জন্য ইফতার কিনতে বেরিয়েছিলেন বিকেলে। ফেরা আর হয়নি। রাত সাড়ে ৯টায় কাতার ফেরত এই যুবক ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের স্ট্রেচারে নিথর পড়ে আছেন। স্বজনেরা হতবিহ্বল, বাকরুদ্ধ।
শুধু নিবন্ধন কাজে থাকা কর্মীদের স্বজনেরা বারবার অনুরোধ করছিলেন, দ্রুত মরদেহ হস্তান্তরের জন্য। সুমন সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেল স্বজনদের আহাজারি আর বিলাপ থেকে। একপর্যায়ে সুমনের মরদেহ প্রায় জোর করেই নিয়ে গেছেন স্বজনেরা।
ছোট্ট নিবন্ধন কক্ষের বাইরে 'কুইক রেসপন্স টিমের' কক্ষ। সেখানে একটি চেয়ারে নির্বাক বসে পঞ্চাশোর্ধ্ব শীর্ণদেহি হাসেম মিয়া। তাঁর ছেলে হৃদয় মিয়ার (২০) মরদেহ নিতে এসেছেন।
গুলিস্তানের ফুটপাতে পান, সিগারেট বিক্রি করেন হাসেম। ছেলে এক মাস আগেও দুর্ঘটনা কবলিত ভবনের একটি দোকানে কাজ করতেন। পুরো একমাস বেকার। তাই ছেলেকে বিকেলে ফোন করে তাঁর দোকানে সহায়তার জন্য আসতে বলেছিলেন। বাবার কথায় গুলিস্তানে আসার পথে বিস্ফোরণের মধ্যে পড়ে প্রাণ হারান হৃদয়।
এ জন্যই হয়তো হাসেম মিয়ার ছেলে হারানোর কষ্ট, সেই সঙ্গে অপরাধবোধ তাঁর শীর্ণ বুকে হিমালয় সমান ভার হয়ে আছে। হাসেম মিয়ার সঙ্গে কথা বলা গেল না। কথা হলো হৃদয়ের খালু জয়নাল মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, 'হৃদয়ের মুখের এক পাশ পুইড়া গেছে। দেখলে ডর লাগে। পুইরা যাওয়া মুখ দেখলে চেনার উপায় নাই।'
তাহলে মরদেহ শনাক্ত করলেন কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে জয়নাল মিয়া বলেন, মুখের অন্য পাশে ঠিক আছে। তার থোতনায় (থুতনিতে) অল্প দাড়ি, পায়ের দাগ আর উজ্জ্বল গায়ের রঙ দেইখা চিনছি।'
জরুরি বিভাগের বাইরে স্ট্রেচারে গুরুতর আহত জামাল শিকদারকে (৩৫) নিয়ে ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছেন মুন্নি বেগম। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। হঠাৎ দিনমজুর স্বামীর এমন অবস্থা দেখে মুষড়ে পড়েছেন। অন্যের বাড়িতে সাহায্যকারীর কাজ করেন মুন্নি বেগম। জামালের মাথা ও পায়ে ভয়ানক জখম। সেখানে ব্যান্ডেজ জড়ানো।
সাদা ব্যান্ডেজ রক্তে ভিজে গেছে। মাথার সিটি স্ক্যান ও পায়ের এক্সরে করা হয়েছে। এখন দরকার উন্নত চিকিৎসা। সেই টাকা কীভাবে জোগার হবে ভেবে কূল পাচ্ছেন না মুন্নি বেগম। আকাশ পাতাল ভেবে অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্বামীকে নিয়ে মাদারীপুরে গ্রামের বাড়ি চলে যাবেন। তবে সেই টাকাও নেই তাঁর হাতে! কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী যুবক অবশ্য অর্থের ব্যবস্থা করে দিতে চেষ্টা করছিলেন তখন।
জামাল বিস্ফোরণ স্থলের ভবনটির আনিকা গ্যালারি নামে একটি সিরামিক পণ্যের দোকানে লোডারের কাজ করেন।
এদিকে ঢাকার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য সহায়তা থেকে শুরু করে স্বজনদেরও সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান। এরই মধ্যে ঢামেক জরুরি বিভাগের সামনে একটি বুথ খুলেছে জেলা প্রশাসন।
সেই বুথে বসে মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, এখান থেকে নিহতের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার, গুরুতর আহতদের ২৫ হাজার, সামান্য আহতদের ১৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
বিস্ফোরণে নিহত ১৭ জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মরদেহ স্বজনেরা প্রায় জোর করে নিয়ে গেছেন। রাত ১১টা ৪০ পর্যন্ত আহতদের নিয়ে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স আসতে দেখা গেছে।
আরও খবর পড়ুন:

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সাত নম্বর কক্ষ। এখানেই সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণে নিহতদের নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে। মেডিকেল স্টাফদের দম ফেলার ফুরসত নেই! ঝড়ের বেগে কলম চলছে।
এদিকে নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে এই কক্ষের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। স্বজন হারানো মানুষের শুধু বিলাপ কানে আসছে। তাঁরা কী বলছেন বিলাপের বিষাদে সেটি তলিয়ে যাচ্ছে!
এমন এক পরিবেশে নিবন্ধন ডেস্কের পাশে দাঁড়িয়ে নিবন্ধন বইয়ের দিকে অপলক চেয়ে আছেন তাজুল ইসলাম ভূইয়া (৫৩)। ছলছল চোখ, গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়া কান্নার জলের শুকনো দাগ স্পষ্ট। হঠাৎ ফোন বেজে উঠল, রিসিভ করেই অপর প্রান্ত থেকে ধরা গলায় কেউ বলছেন, 'ভাইয়েরে তো চেনা যায় না। মুখ পুইড়া ছাই। একটা দাড়িও নাই!'
পঞ্চাশোর্ধ্ব তাজুল এবার আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। দরদর করে গাল বেয়ে পানি পড়তে লাগল তাঁর। নিঃশব্দে অঝোরে কেঁদে চললেন। ওপাশ থেকে হয়তো কিছু জানতে চাওয়া হলো। জবাবে তাজুল কান্নারুদ্ধ কণ্ঠে বললেন, 'এখন এন্ট্রি করা হইলো। লাশ কখন নিতে পারমু জানি না।'
ফোনে কথা শেষ হওয়ার পরই সন্তর্পণে কাছে গিয়ে কিছু কথা জানতে চাই তাজুল ইসলামের কাছে। জানা গেল, বিস্ফোরণ যেখানে ঘটেছে তার পাশের ভবনেই ইউসুফ স্যানিটারি। তাঁর বড় ভাই নূরুল ইসলাম ভূইয়া এই দোকানের মালিক। প্রতিদিনের মতো আজও নুরুল এসেছিলেন দোকানে। এখন হাসপাতালে মর্গে তাঁর নিথর দেহ। স্বজনেরা মরদেহ বুঝে পাওয়ার জন্য বুকে পাথর চেপে অপেক্ষা করছেন।
দশ দিন আগেই কাতার থেকে দেশে ফিরেছেন বংশাল সুরিটোলার সুমন (২১)। শবে বরাতে রোজা রেখেছেন বাবা-মা। তাঁদের জন্য ইফতার কিনতে বেরিয়েছিলেন বিকেলে। ফেরা আর হয়নি। রাত সাড়ে ৯টায় কাতার ফেরত এই যুবক ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগের স্ট্রেচারে নিথর পড়ে আছেন। স্বজনেরা হতবিহ্বল, বাকরুদ্ধ।
শুধু নিবন্ধন কাজে থাকা কর্মীদের স্বজনেরা বারবার অনুরোধ করছিলেন, দ্রুত মরদেহ হস্তান্তরের জন্য। সুমন সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেল স্বজনদের আহাজারি আর বিলাপ থেকে। একপর্যায়ে সুমনের মরদেহ প্রায় জোর করেই নিয়ে গেছেন স্বজনেরা।
ছোট্ট নিবন্ধন কক্ষের বাইরে 'কুইক রেসপন্স টিমের' কক্ষ। সেখানে একটি চেয়ারে নির্বাক বসে পঞ্চাশোর্ধ্ব শীর্ণদেহি হাসেম মিয়া। তাঁর ছেলে হৃদয় মিয়ার (২০) মরদেহ নিতে এসেছেন।
গুলিস্তানের ফুটপাতে পান, সিগারেট বিক্রি করেন হাসেম। ছেলে এক মাস আগেও দুর্ঘটনা কবলিত ভবনের একটি দোকানে কাজ করতেন। পুরো একমাস বেকার। তাই ছেলেকে বিকেলে ফোন করে তাঁর দোকানে সহায়তার জন্য আসতে বলেছিলেন। বাবার কথায় গুলিস্তানে আসার পথে বিস্ফোরণের মধ্যে পড়ে প্রাণ হারান হৃদয়।
এ জন্যই হয়তো হাসেম মিয়ার ছেলে হারানোর কষ্ট, সেই সঙ্গে অপরাধবোধ তাঁর শীর্ণ বুকে হিমালয় সমান ভার হয়ে আছে। হাসেম মিয়ার সঙ্গে কথা বলা গেল না। কথা হলো হৃদয়ের খালু জয়নাল মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, 'হৃদয়ের মুখের এক পাশ পুইড়া গেছে। দেখলে ডর লাগে। পুইরা যাওয়া মুখ দেখলে চেনার উপায় নাই।'
তাহলে মরদেহ শনাক্ত করলেন কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে জয়নাল মিয়া বলেন, মুখের অন্য পাশে ঠিক আছে। তার থোতনায় (থুতনিতে) অল্প দাড়ি, পায়ের দাগ আর উজ্জ্বল গায়ের রঙ দেইখা চিনছি।'
জরুরি বিভাগের বাইরে স্ট্রেচারে গুরুতর আহত জামাল শিকদারকে (৩৫) নিয়ে ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছেন মুন্নি বেগম। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। হঠাৎ দিনমজুর স্বামীর এমন অবস্থা দেখে মুষড়ে পড়েছেন। অন্যের বাড়িতে সাহায্যকারীর কাজ করেন মুন্নি বেগম। জামালের মাথা ও পায়ে ভয়ানক জখম। সেখানে ব্যান্ডেজ জড়ানো।
সাদা ব্যান্ডেজ রক্তে ভিজে গেছে। মাথার সিটি স্ক্যান ও পায়ের এক্সরে করা হয়েছে। এখন দরকার উন্নত চিকিৎসা। সেই টাকা কীভাবে জোগার হবে ভেবে কূল পাচ্ছেন না মুন্নি বেগম। আকাশ পাতাল ভেবে অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্বামীকে নিয়ে মাদারীপুরে গ্রামের বাড়ি চলে যাবেন। তবে সেই টাকাও নেই তাঁর হাতে! কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী যুবক অবশ্য অর্থের ব্যবস্থা করে দিতে চেষ্টা করছিলেন তখন।
জামাল বিস্ফোরণ স্থলের ভবনটির আনিকা গ্যালারি নামে একটি সিরামিক পণ্যের দোকানে লোডারের কাজ করেন।
এদিকে ঢাকার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য সহায়তা থেকে শুরু করে স্বজনদেরও সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান। এরই মধ্যে ঢামেক জরুরি বিভাগের সামনে একটি বুথ খুলেছে জেলা প্রশাসন।
সেই বুথে বসে মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, এখান থেকে নিহতের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ হাজার, গুরুতর আহতদের ২৫ হাজার, সামান্য আহতদের ১৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
বিস্ফোরণে নিহত ১৭ জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মরদেহ স্বজনেরা প্রায় জোর করে নিয়ে গেছেন। রাত ১১টা ৪০ পর্যন্ত আহতদের নিয়ে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স আসতে দেখা গেছে।
আরও খবর পড়ুন:

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১১ মিনিট আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
১৭ মিনিট আগে
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জেটিঘাটে জাহাজ থেকে নামতেই মাইকিংয়ের শব্দ কানে ভেসে আসে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মীকে পর্যটকদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘সম্মানিত পর্যটকবৃন্দ, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ করবেন না, পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় সরকার ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ...
২২ মিনিট আগে
নিজের অবৈধ আয়কে বৈধ দেখাতে ‘মায়ের দান’ হিসেবে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে।
২ ঘণ্টা আগে