নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর পিতৃ পরিচয় ডিএনএ টেস্টে নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। সেইসঙ্গে জন্ম নেওয়া শিশু সন্তানের ভরন–পোষণ দিতে বলা হয় ২১ বছর পর্যন্ত। তবে আসামি সেই রায় না মেনে আপিল করেন হাইকোর্টে। চান জামিনও। তবে শুনানিতে সন্তানের স্বীকৃতি ও সম্পত্তি লিখে দিতে রাজি হলে মিলে জামিন।
দুই মাসের মধ্যে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার কথা ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহুরুল হকের বেঞ্চে বিষয়টি শুনানির জন্য উঠে।
আসাদুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নুরুল ইসলাম সুজন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাহফুজুল আলম মুন্না। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল আজিজ মিয়া মিন্টু ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান লিখন।
আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, রংপুরের মিঠাপুকুরের আসাদুলের সঙ্গে তার চাচাতো বোনের প্রেমের একপর্যায়ে বিয়ের শর্তে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে গর্ভবতী হলে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান আসাদুল।
বিষয়টি মীমাংসা না হওয়ায় ২০০৭ সালে ধর্ষণের মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে আদালতের নির্দেশে শিশুর পিতৃ পরিচয় নিশ্চিতে ডিএনএ টেস্ট করা হয়। তাতে জানা যায় ভুক্তভোগীর গর্ভে জন্ম নেওয়া ওই ছেলে শিশুর বাবা আসাদুল।
২০১৬ সালের রংপুরের বিচারিক আদালত ওই মামলায় রায় দেন। রায়ে আসাদুলকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ২১ বছর পর্যন্ত জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণ–পোষণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। জন্ম নেওয়া শিশুটির বয়স এখন ১৫ বছর। এরপর সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন আসাদুল। চান জামিন। শুনানিতে সন্তানের স্বীকৃতি ও সম্পত্তি লিখে দেওয়ার কথা জানানো হয় আদালতকে। পরে হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন এবং সম্পত্তি লিখে দিতে নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আজ বুধবার শুনানির জন্য আসে।
ভোক্তভোগী নারীর আইনজীবী রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, উভয়পক্ষের আইনজীবী ও স্বজনের উপস্থিতিতে আজ বুধবার আদালত নির্দেশ দেন ৫ বিঘা জমি লিখে দিতে হবে। দলিল দাখিলের পর পরবর্তী আদেশ দেওয়া হবে।
তবে ভোক্তভোগী নারী দাবি করেন আসাদুলের সম্পত্তি আরও বেশি রয়েছে। পরে আদালত সিদ্ধান্ত দেন তার প্রাপ্ত সম্পত্তির অর্ধেক লিখে দিতে হবে। আর সম্পত্তি না লিখে দিলে তার জামিন বাতিল হবে। আর এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২১ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর পিতৃ পরিচয় ডিএনএ টেস্টে নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। সেইসঙ্গে জন্ম নেওয়া শিশু সন্তানের ভরন–পোষণ দিতে বলা হয় ২১ বছর পর্যন্ত। তবে আসামি সেই রায় না মেনে আপিল করেন হাইকোর্টে। চান জামিনও। তবে শুনানিতে সন্তানের স্বীকৃতি ও সম্পত্তি লিখে দিতে রাজি হলে মিলে জামিন।
দুই মাসের মধ্যে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার কথা ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহুরুল হকের বেঞ্চে বিষয়টি শুনানির জন্য উঠে।
আসাদুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নুরুল ইসলাম সুজন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাহফুজুল আলম মুন্না। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল আজিজ মিয়া মিন্টু ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান লিখন।
আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, রংপুরের মিঠাপুকুরের আসাদুলের সঙ্গে তার চাচাতো বোনের প্রেমের একপর্যায়ে বিয়ের শর্তে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে গর্ভবতী হলে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান আসাদুল।
বিষয়টি মীমাংসা না হওয়ায় ২০০৭ সালে ধর্ষণের মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে আদালতের নির্দেশে শিশুর পিতৃ পরিচয় নিশ্চিতে ডিএনএ টেস্ট করা হয়। তাতে জানা যায় ভুক্তভোগীর গর্ভে জন্ম নেওয়া ওই ছেলে শিশুর বাবা আসাদুল।
২০১৬ সালের রংপুরের বিচারিক আদালত ওই মামলায় রায় দেন। রায়ে আসাদুলকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ২১ বছর পর্যন্ত জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণ–পোষণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। জন্ম নেওয়া শিশুটির বয়স এখন ১৫ বছর। এরপর সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেন আসাদুল। চান জামিন। শুনানিতে সন্তানের স্বীকৃতি ও সম্পত্তি লিখে দেওয়ার কথা জানানো হয় আদালতকে। পরে হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন এবং সম্পত্তি লিখে দিতে নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আজ বুধবার শুনানির জন্য আসে।
ভোক্তভোগী নারীর আইনজীবী রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, উভয়পক্ষের আইনজীবী ও স্বজনের উপস্থিতিতে আজ বুধবার আদালত নির্দেশ দেন ৫ বিঘা জমি লিখে দিতে হবে। দলিল দাখিলের পর পরবর্তী আদেশ দেওয়া হবে।
তবে ভোক্তভোগী নারী দাবি করেন আসাদুলের সম্পত্তি আরও বেশি রয়েছে। পরে আদালত সিদ্ধান্ত দেন তার প্রাপ্ত সম্পত্তির অর্ধেক লিখে দিতে হবে। আর সম্পত্তি না লিখে দিলে তার জামিন বাতিল হবে। আর এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২১ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৪০ মিনিট আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
১ ঘণ্টা আগে