নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ফের অস্থির হয়ে উঠেছে মোহাম্মদপুরে আটকে পড়া পাকিস্তানিদের আবাসস্থল জেনেভা ক্যাম্প। মাদকের কারবারের দখল নিয়ে ক্যাম্পের দুটি গ্রুপের মধ্যে টানা পাঁচ দিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ আজ সোমবার ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে কয়েক শ পুলিশ মোতায়েন করে অভিযান চালায় মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শীর্ষ মাদক কারবারিরা সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়ে নতুন করে আধিপত্য বিস্তারের সংঘাতে জড়িয়েছেন। মাদক কারবারি বুনিয়া সোহেল ও বেজি নাদিম ‘শান্তি বাহিনী’ নামে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ ভাড়া করে ক্যাম্পের ‘পিচ্চি রাজা’র নিয়ন্ত্রণে থাকা কারবার দখলের চেষ্টা করছেন। এই বাহিনীর প্রধান শাহনেওয়াজ সান্নুর নেতৃত্বে ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বুনিয়া সোহেলকে পিস্তল হাতে গুলি চালাতে দেখা গেছে।
এসব সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন বাবুর্চি বশির (৪০), মদিনা (২০) ও ফায়জান (২৫)। গতকাল রোববার (১০ আগস্ট) তিন দফা ককটেল বিস্ফোরণে দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মানসিক ভারসাম্যহীন মদিনা বেগম এই হামলায় গুরুতর আহত হন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্যাম্পের পাকা এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে ককটেল বিস্ফোরণে বাবুর্চি নাসির আহত হন।
পুলিশ বলছে, বুনিয়া সোহেল, পোপলা মুন্না, বেজি নাদিম, চুয়া সেলিম, খুল্লা সাহিদ, দোগলা আজমসহ বেশ কয়েকজনের নামে মাদক, হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাদক কারবারিরা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। তবে তারা জামিনে এসে আবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আজ দুপুরে অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ও সেলিম নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

ফের অস্থির হয়ে উঠেছে মোহাম্মদপুরে আটকে পড়া পাকিস্তানিদের আবাসস্থল জেনেভা ক্যাম্প। মাদকের কারবারের দখল নিয়ে ক্যাম্পের দুটি গ্রুপের মধ্যে টানা পাঁচ দিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ আজ সোমবার ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে কয়েক শ পুলিশ মোতায়েন করে অভিযান চালায় মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শীর্ষ মাদক কারবারিরা সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়ে নতুন করে আধিপত্য বিস্তারের সংঘাতে জড়িয়েছেন। মাদক কারবারি বুনিয়া সোহেল ও বেজি নাদিম ‘শান্তি বাহিনী’ নামে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ ভাড়া করে ক্যাম্পের ‘পিচ্চি রাজা’র নিয়ন্ত্রণে থাকা কারবার দখলের চেষ্টা করছেন। এই বাহিনীর প্রধান শাহনেওয়াজ সান্নুর নেতৃত্বে ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বুনিয়া সোহেলকে পিস্তল হাতে গুলি চালাতে দেখা গেছে।
এসব সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন বাবুর্চি বশির (৪০), মদিনা (২০) ও ফায়জান (২৫)। গতকাল রোববার (১০ আগস্ট) তিন দফা ককটেল বিস্ফোরণে দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মানসিক ভারসাম্যহীন মদিনা বেগম এই হামলায় গুরুতর আহত হন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্যাম্পের পাকা এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে ককটেল বিস্ফোরণে বাবুর্চি নাসির আহত হন।
পুলিশ বলছে, বুনিয়া সোহেল, পোপলা মুন্না, বেজি নাদিম, চুয়া সেলিম, খুল্লা সাহিদ, দোগলা আজমসহ বেশ কয়েকজনের নামে মাদক, হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাদক কারবারিরা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। তবে তারা জামিনে এসে আবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আজ দুপুরে অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ও সেলিম নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস ও লাইসেন্স দেওয়ার নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাসনগরে সোমেশ্বরী নদীর ওপর গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দুই বছর আগে। এখন পর্যন্ত সেতুর খুঁটি (পিলার) নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কাজ আর হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
ইটভাটার আগ্রাসনে চাঁদপুরে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি ক্রমে কমছে। প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভাটাগুলো চালুর সময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে কাটা হয় কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি। এতে জমির উৎপাদনক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিচু হয়ে যাচ্ছে মাটির স্তর।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, ওই তারিখের আগে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী কিংবা তাঁদের পক্ষে কেউ প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।
৫ ঘণ্টা আগে