টঙ্গিবাড়ী (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে মাত্র ৪ লাখ টাকার ইজারার অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট ৪২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে উপজেলার বালিগাঁও ও হাসাইল এলাকার অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য দরপত্র আহ্বান করে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বালিগাঁও হাটের জন্য নির্ধারিত মূল্য ধরা হয় ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬৫ টাকা এবং হাসাইল হাটের জন্য ধরা হয় ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬০ টাকা।
প্রথম পর্যায়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হাজি আবু সাঈদ মিয়া বালিগাঁও হাটের ইজারা পান। কিন্তু পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হাটটি দ্বিতীয়বার ‘সাব ডাকের’ মাধ্যমে ইজারা দিয়ে ৪২ লাখ টাকায় দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, এই অতিরিক্ত অর্থের বড় অংশই ভাগাভাগি করে নেয় একটি প্রভাবশালী চক্র। স্কুলের নামে থাকা হাটের আয় থেকে সামান্য একটি অংশ পায় সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ। বাকি অর্থ হাট ইজারাদার এবং স্থানীয় একটি মহলের মধ্যে বণ্টন হয়।
বালিগাঁও হাটের সাব ডাকের এক শিডিউল ক্রেতা রিপন মুন্সি বলেন, ‘আমি ৩৫ লাখ টাকার শিডিউল কিনেছিলাম, কিন্তু হাট পাইনি। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারী হাট পেয়েছেন।’
আরেক শিডিউল ক্রেতা জুলহাস শেখ বলেন, ‘আমি শিডিউল কিনেও হাট পাইনি। শুনেছি, দেলোয়ার ব্যাপারী ৪২ লাখ টাকায় হাটটি কিনেছেন।’
অস্থায়ী হাট কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন ব্যাপারী বলেন, ‘৭-৮ লাখ টাকায় হাট নেওয়া হয়েছে।’
তবে হাট কমিটির সভাপতি দেলোয়ার ব্যাপারী দাবি করেন, ‘সাব ডাকের কোনো বিষয় নেই। সরকার নির্ধারিত নিয়মেই হাট পরিচালনা করা হচ্ছে।’ অথচ প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে তাঁর শিডিউল জমা দেওয়ার আলোকচিত্র।
এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সাব ডাকের কোনো নিয়ম নেই। এমন কিছু ঘটেছে বলে প্রমাণ পেলে ইজারা বাতিল করা হবে।’

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে মাত্র ৪ লাখ টাকার ইজারার অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট ৪২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে উপজেলার বালিগাঁও ও হাসাইল এলাকার অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য দরপত্র আহ্বান করে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বালিগাঁও হাটের জন্য নির্ধারিত মূল্য ধরা হয় ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬৫ টাকা এবং হাসাইল হাটের জন্য ধরা হয় ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬০ টাকা।
প্রথম পর্যায়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হাজি আবু সাঈদ মিয়া বালিগাঁও হাটের ইজারা পান। কিন্তু পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হাটটি দ্বিতীয়বার ‘সাব ডাকের’ মাধ্যমে ইজারা দিয়ে ৪২ লাখ টাকায় দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, এই অতিরিক্ত অর্থের বড় অংশই ভাগাভাগি করে নেয় একটি প্রভাবশালী চক্র। স্কুলের নামে থাকা হাটের আয় থেকে সামান্য একটি অংশ পায় সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ। বাকি অর্থ হাট ইজারাদার এবং স্থানীয় একটি মহলের মধ্যে বণ্টন হয়।
বালিগাঁও হাটের সাব ডাকের এক শিডিউল ক্রেতা রিপন মুন্সি বলেন, ‘আমি ৩৫ লাখ টাকার শিডিউল কিনেছিলাম, কিন্তু হাট পাইনি। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারী হাট পেয়েছেন।’
আরেক শিডিউল ক্রেতা জুলহাস শেখ বলেন, ‘আমি শিডিউল কিনেও হাট পাইনি। শুনেছি, দেলোয়ার ব্যাপারী ৪২ লাখ টাকায় হাটটি কিনেছেন।’
অস্থায়ী হাট কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন ব্যাপারী বলেন, ‘৭-৮ লাখ টাকায় হাট নেওয়া হয়েছে।’
তবে হাট কমিটির সভাপতি দেলোয়ার ব্যাপারী দাবি করেন, ‘সাব ডাকের কোনো বিষয় নেই। সরকার নির্ধারিত নিয়মেই হাট পরিচালনা করা হচ্ছে।’ অথচ প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে তাঁর শিডিউল জমা দেওয়ার আলোকচিত্র।
এ বিষয়ে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সাব ডাকের কোনো নিয়ম নেই। এমন কিছু ঘটেছে বলে প্রমাণ পেলে ইজারা বাতিল করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে