শ্যামপুর-কদমতলী (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর ডেমরায় শীতলক্ষ্যা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী একটি নৌকা ডুবে গেছে। ডেমরা খেয়াঘাটের মাঝি ও স্থানীয়রা মিলে নৌকার ৮ জন আরোহীর মধ্যে ৬ জনকে উদ্ধার করতে পেরেছে। বাকি দুজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে ডেমরা সেতুসংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ডেমরা ফায়ার সার্ভিস।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন মো. সাফওয়ান (১৭) ও মো. জুবায়ের (১৮)। দুজনেই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় বন্ধুরা মিলে নৌকায় ঘুরতে এসে দুর্ঘটনার শিকার হয়। নৌকাডুবির খবর পেয়ে ডেমরা ফায়ার সার্ভিস ও ফায়ার সার্ভিসের হেড অফিস থেকে ডুবুরি দল প্রায় দুই ঘণ্টা খোঁজাখুঁজি করেও নিখোঁজ দুই ছাত্রকে উদ্ধার করতে পারেনি।
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের প্রধান ডুবুরি আবুল খায়ের বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে নিখোঁজদের খুঁজতে নদীতে নেমে পড়ি। নদীর গভীরতা ৭০ থেকে ৭৫ ফুট। স্রোত ছিল অনেক। এর মধ্যেই দুই ঘণ্টা চেষ্টার পরও সাফওয়ান ও জুবায়েরকে খুঁজে পাইনি। নিয়ম অনুযায়ী রাতে আর খোঁজা সম্ভব না হওয়ায় শনিবার সকাল থেকে আবার খোঁজা শুরু হবে।’
এ বিষয়ে ডেমরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘যত দূর জানতে পেরেছি, হাজারীবাগের একটি মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় ডেমরার পরিচিত দু-একজনের মাধ্যমে ৮ বন্ধু শুক্রবার বিকেলে ডেমরা ঘাট থেকে নৌকা নিয়ে ঘোরাঘুরি করে। এ সময় বালুবাহী একটি বাল্কহেড ওই নৌকাকে ধাক্কা দিলে সঙ্গে সঙ্গে নৌকাটি ভেঙে ডুবে যায়। এ সময় ডেমরা খেয়াঘাটের মাঝি ও স্থানীয়রা ছয়জনকে উদ্ধার করতে পারলেও দুজন নিখোঁজ হয়। পানির স্রোত ও গভীরতা বেশি থাকায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের খুঁজে পায়নি। তবে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
এদিকে উদ্ধার কার্যক্রমের সমালোচনা করে নিখোঁজ একজনের ভাই ডেমরার দারুন নাজাত মাদ্রাসার শিক্ষক সাদ বলেন, ‘বিকেলের ঘটনা, অথচ ডুবুরিরা চেষ্টা করেছে অল্প সময় ধরে। সন্ধ্যা নামতেই তারা খোঁজাখুজি বন্ধ করে দেয়। আমরা কান্নাকাটি করছি। নিজেও ভারসাম্যহীন হয়ে গেছি। তারপরও ডুবুরিরা কথা শোনেনি।’

রাজধানীর ডেমরায় শীতলক্ষ্যা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী একটি নৌকা ডুবে গেছে। ডেমরা খেয়াঘাটের মাঝি ও স্থানীয়রা মিলে নৌকার ৮ জন আরোহীর মধ্যে ৬ জনকে উদ্ধার করতে পেরেছে। বাকি দুজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে ডেমরা সেতুসংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ডেমরা ফায়ার সার্ভিস।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন মো. সাফওয়ান (১৭) ও মো. জুবায়ের (১৮)। দুজনেই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় বন্ধুরা মিলে নৌকায় ঘুরতে এসে দুর্ঘটনার শিকার হয়। নৌকাডুবির খবর পেয়ে ডেমরা ফায়ার সার্ভিস ও ফায়ার সার্ভিসের হেড অফিস থেকে ডুবুরি দল প্রায় দুই ঘণ্টা খোঁজাখুঁজি করেও নিখোঁজ দুই ছাত্রকে উদ্ধার করতে পারেনি।
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের প্রধান ডুবুরি আবুল খায়ের বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে নিখোঁজদের খুঁজতে নদীতে নেমে পড়ি। নদীর গভীরতা ৭০ থেকে ৭৫ ফুট। স্রোত ছিল অনেক। এর মধ্যেই দুই ঘণ্টা চেষ্টার পরও সাফওয়ান ও জুবায়েরকে খুঁজে পাইনি। নিয়ম অনুযায়ী রাতে আর খোঁজা সম্ভব না হওয়ায় শনিবার সকাল থেকে আবার খোঁজা শুরু হবে।’
এ বিষয়ে ডেমরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘যত দূর জানতে পেরেছি, হাজারীবাগের একটি মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় ডেমরার পরিচিত দু-একজনের মাধ্যমে ৮ বন্ধু শুক্রবার বিকেলে ডেমরা ঘাট থেকে নৌকা নিয়ে ঘোরাঘুরি করে। এ সময় বালুবাহী একটি বাল্কহেড ওই নৌকাকে ধাক্কা দিলে সঙ্গে সঙ্গে নৌকাটি ভেঙে ডুবে যায়। এ সময় ডেমরা খেয়াঘাটের মাঝি ও স্থানীয়রা ছয়জনকে উদ্ধার করতে পারলেও দুজন নিখোঁজ হয়। পানির স্রোত ও গভীরতা বেশি থাকায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তাদের খুঁজে পায়নি। তবে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
এদিকে উদ্ধার কার্যক্রমের সমালোচনা করে নিখোঁজ একজনের ভাই ডেমরার দারুন নাজাত মাদ্রাসার শিক্ষক সাদ বলেন, ‘বিকেলের ঘটনা, অথচ ডুবুরিরা চেষ্টা করেছে অল্প সময় ধরে। সন্ধ্যা নামতেই তারা খোঁজাখুজি বন্ধ করে দেয়। আমরা কান্নাকাটি করছি। নিজেও ভারসাম্যহীন হয়ে গেছি। তারপরও ডুবুরিরা কথা শোনেনি।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে