
গত বৃহস্পতিবার রাতে সোয়ারীঘাট থেকে জিনজিরা গুদারা ঘাটে পারাপারের সময় মাঝ নদীতে একটি দ্রুতগামী ট্রলার যাত্রীবাহী নৌকাটিকে ধাক্কা দিলে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকায় থাকা ছয়জনের মধ্যে পাঁচ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও সাঁতার না জানা হোসেন পানিতে তলিয়ে যান।

লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে নৌকায় ৪৩ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৮ জন মারা গেছেন। ২৩ মার্চ লিবিয়া থেকে নৌযানটি যাত্রা শুরু করার চার দিন পর গতিপথ হারিয়ে ফেলে। পরে খাবারের সংকটে অনেকে মারা যান। পরে দুর্গন্ধ শুরু হলে লাশ সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকা ডুবে এক জেলে মারা গেছেন। তাঁর নাম নূরে আলম (৪৫)। তবে নৌকাডুবির ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন তাঁর দুই সন্তান। নিজেদের প্রাণ রক্ষাই যেখানে দায়, সেখানে সাগরে প্রায় দুই ঘণ্টা সাঁতরে বাবার মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন তাঁর ছেলেরা।

গতকাল সোমবার রাতে ধনাগোদা নদীর উত্তর পাড় থেকে মতলব খেয়াঘাটে নৌকা দিয়ে মতলব বাজারে আসার সময় মাঝ নদীতে একটি বালুবাহী ট্রলার যাত্রীবাহী নৌকাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ট্রলারের ধাক্কায় নৌকায় থাকা যাত্রীরা নদীতে ছিটকে পড়ে এবং নৌকাও ডুবে যায়।