Ajker Patrika

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুজনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুজনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ
ফাইল ছবি

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলাসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার দুদকের সেগুনবাগিচা প্রধান কার্যালয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম।

দুদক বলছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার নির্ধারিত ব্যয় ছিল ৭৯ হাজার টাকা। কিন্তু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো শ্রমিকদের কাছ থেকে এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা আদায় করেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাড়ে ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক। এর আগে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে ২৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে সংস্থাটি। এসব মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট এজেন্সির কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

দুদক সূত্র জানায়, আজ দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা ও আরও একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিষয়ে যে চলমান তদন্ত চলছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মালয়েশিয়াগামী শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুদক যে মামলা করেছে, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিতে এসেছি। তবে এসব মামলা ভিত্তি নেই।’

শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা কি না জানতে চাইলে গোলাম মাওলা বলেন, ‘সবই মিথ্যা না, কিছু বিষয়ে অনিয়ম হয়েছে। তবে সবাই অর্থ আত্মসাৎ করেছে–এমন ঢালাও অভিযোগের ভিত্তি নেই।’

দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় কোন কোন এজেন্সি কীভাবে যুক্ত ছিল, শ্রমিকদের কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে এবং নির্ধারিত ব্যয়ের বাইরে নেওয়া অর্থ কোথায় গেছে এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত