সাভার(ঢাকা) প্রতিনিধি

ঢাকার আশুলিয়ায় রোকসানা আক্তার নামে এক পোশাকশ্রমিককে হত্যার পর আগুনে লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক স্বামী।
আজ রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী এলাকার কালাম মাদবরের মালিকানাধীন পাঁচতলা ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত রোকসানা আক্তার নূরানীর (৩০) গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলায়। তাঁর পিতার নাম আব্দুর রশিদ। তিনি আশুলিয়ার ন্যাচারাল ইনডিগো লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। পলাতক স্বামীর নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পলাতক স্বামীর পেশা সম্পর্কেও বাড়ির মালিক কিংবা প্রতিবেশীরা নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে তিনি আন্তজেলা বাস কিংবা এক্সকাভেটরের কনট্রাক্টর হিসেবে কাজ করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বাড়ির মালিক কালাম মাদবর জানান, ফজরের আগে ঘুম থেকে উঠে আগুন বা ধোঁয়ার গন্ধ পেয়ে নিচতলায় নেমে দেখা যায় সবগুলো ফ্ল্যাটের ছিটকিনি বাইরে থেকে বন্ধ করা। রোকসানার ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই দেখা যায় ঘরের ভেতরে ধোঁয়া। তখন প্রতিবেশীরা এসে পানি ছিটিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। পরে পেঁচিয়ে রাখা তোশক সরাতেই বের হয়ে আসে রোকসানা আক্তারের নিথর দেহ। বিছানায় রক্তের দাগ, গলায় আঘাতের চিহ্ন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, পাঁচ বছর ধরে স্ত্রীর কাছে আসেন না স্বামী। হঠাৎ করে তিন দিন আগে বাসায় এলে স্ত্রী রোকসানা আক্তার তাঁকে ঘরে ঢুকতে দিতে চাননি। স্বামী জানান, দুর্ঘটনায় তিনি আহত হয়েছেন, তাঁর মাথা ফেটেছে। ঘরে ঢোকার জন্য আকুতি-মিনতি করতে থাকেন তিনি। পরে বাড়ির মালিক ও অন্যরা রোকসানাকে বোঝালে তিনি রাজি হন। এই পাঁচ বছর ধরে স্ত্রীর কোনো খোঁজ নেননি, ভরণ-পোষণও দিতেন না স্বামী। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কলহ চলছিল।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহীনুর কবির বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন স্বামী। আগুনের নাটক সাজিয়ে ঘটনা অন্যদিকে প্রভাবিত করতে চেয়েছিলেন হত্যাকারী। আমরা তদন্ত করছি। পুলিশ কাজ করছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। পলাতক স্বামীকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’

ঢাকার আশুলিয়ায় রোকসানা আক্তার নামে এক পোশাকশ্রমিককে হত্যার পর আগুনে লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক স্বামী।
আজ রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী এলাকার কালাম মাদবরের মালিকানাধীন পাঁচতলা ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত রোকসানা আক্তার নূরানীর (৩০) গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলায়। তাঁর পিতার নাম আব্দুর রশিদ। তিনি আশুলিয়ার ন্যাচারাল ইনডিগো লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। পলাতক স্বামীর নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পলাতক স্বামীর পেশা সম্পর্কেও বাড়ির মালিক কিংবা প্রতিবেশীরা নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে তিনি আন্তজেলা বাস কিংবা এক্সকাভেটরের কনট্রাক্টর হিসেবে কাজ করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বাড়ির মালিক কালাম মাদবর জানান, ফজরের আগে ঘুম থেকে উঠে আগুন বা ধোঁয়ার গন্ধ পেয়ে নিচতলায় নেমে দেখা যায় সবগুলো ফ্ল্যাটের ছিটকিনি বাইরে থেকে বন্ধ করা। রোকসানার ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই দেখা যায় ঘরের ভেতরে ধোঁয়া। তখন প্রতিবেশীরা এসে পানি ছিটিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। পরে পেঁচিয়ে রাখা তোশক সরাতেই বের হয়ে আসে রোকসানা আক্তারের নিথর দেহ। বিছানায় রক্তের দাগ, গলায় আঘাতের চিহ্ন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, পাঁচ বছর ধরে স্ত্রীর কাছে আসেন না স্বামী। হঠাৎ করে তিন দিন আগে বাসায় এলে স্ত্রী রোকসানা আক্তার তাঁকে ঘরে ঢুকতে দিতে চাননি। স্বামী জানান, দুর্ঘটনায় তিনি আহত হয়েছেন, তাঁর মাথা ফেটেছে। ঘরে ঢোকার জন্য আকুতি-মিনতি করতে থাকেন তিনি। পরে বাড়ির মালিক ও অন্যরা রোকসানাকে বোঝালে তিনি রাজি হন। এই পাঁচ বছর ধরে স্ত্রীর কোনো খোঁজ নেননি, ভরণ-পোষণও দিতেন না স্বামী। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কলহ চলছিল।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহীনুর কবির বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন স্বামী। আগুনের নাটক সাজিয়ে ঘটনা অন্যদিকে প্রভাবিত করতে চেয়েছিলেন হত্যাকারী। আমরা তদন্ত করছি। পুলিশ কাজ করছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। পলাতক স্বামীকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’

এ বছর মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ২ লাখ ৭২ হাজার ৬২৬ জন। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ১৫ হাজার ৫১৫ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৩০ হাজার ৮৮৮ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ১ লাখ ২৬ হাজার ২২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। তিন ইউনিট মিলিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন প্রায় ৬৮ হাজার ৪৯০ জন পরীক্ষার্থী।
১০ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ ও পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামের এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে