গাজীপুর (শ্রীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে অন্তত ২০ শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আজ সোমবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের এইচডিএফ অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—কারখানার শ্রমিক শুক্কুর আলী (৩০), সোনিয়া (২২), লিমা (২১), শাহ্জাহান (২৮), সুজন (২৪), রইস উদ্দিন (২২), ইকবাল হোসেন (৩০)। তাৎক্ষণিকভাবে আহত বাকি শ্রমিকের নাম জানা যায়নি।
কারখানার শ্রমিক আজিজুল হক বলেন, কারখানার স্যাম্পল সেকশনের একটি মিনি বয়লার হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এতে কারখানার ঢেউটিনের ছাউনি ছিদ্র হয়ে উড়ে যায়। এ সময় বয়লার বিস্ফোরণে কারখানার থাই গ্লাস ভেঙে যায়। এটি ছিটে শ্রমিকদের শরীরে লাগে। বয়লারের গরম পানিতে অনেকেই পুড়ে যান। এ সময় ভয়ে সবাই ছোটাছুটি শুরু করে। কমপক্ষে ২০ জন শ্রমিক আহত হন।
কারখানার সুপারভাইজার হনুফা বলেন, বয়লার বিস্ফোরণে কয়েকজনের হাঁটু, পা কেটে গেছে। কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে লুটিয়ে পড়েন। অনেক শ্রমিক আহত হয়েছেন। মাথায় আঘাত পেয়েছেন অনেকেই। কারখানার স্যাম্পল সেকশনের সবাই আহত হয়েছেন। আশপাশের ফ্লোরে থাই গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়ে অনেকেই আহত হয়েছেন।
কারখানার শ্রমিক পাপিয়ার চাচা জামরুল অভিযোগ করে বলেন, ‘বয়লার বিস্ফোরণের পরপরই কারখানার সামনে আসি। কিন্তু আমার ভাতিজি পাপিয়াকে খোঁজ পাচ্ছি না। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে সে আহত হয়েছে। কিন্তু কোন হাসপাতালে রয়েছে, বেঁচে আছে কি না মারা গেছে জানতে পারিনি।’
কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা শিমু চৌধুরী বলেন, ‘ছোট্ট একটি বয়লার বিস্ফোরণ হয়েছে। এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পারব না। আমি আহতদের নিয়ে ব্যস্ত। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আলহেরা হাসপাতালের পরিচালক চিকিৎসক আবুল হোসেন বলেন, ‘আহত সাতজন শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, বয়লার বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শিল্প পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। বেশ কয়েকজনের আহত হয়েছেন।

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে অন্তত ২০ শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আজ সোমবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের এইচডিএফ অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—কারখানার শ্রমিক শুক্কুর আলী (৩০), সোনিয়া (২২), লিমা (২১), শাহ্জাহান (২৮), সুজন (২৪), রইস উদ্দিন (২২), ইকবাল হোসেন (৩০)। তাৎক্ষণিকভাবে আহত বাকি শ্রমিকের নাম জানা যায়নি।
কারখানার শ্রমিক আজিজুল হক বলেন, কারখানার স্যাম্পল সেকশনের একটি মিনি বয়লার হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এতে কারখানার ঢেউটিনের ছাউনি ছিদ্র হয়ে উড়ে যায়। এ সময় বয়লার বিস্ফোরণে কারখানার থাই গ্লাস ভেঙে যায়। এটি ছিটে শ্রমিকদের শরীরে লাগে। বয়লারের গরম পানিতে অনেকেই পুড়ে যান। এ সময় ভয়ে সবাই ছোটাছুটি শুরু করে। কমপক্ষে ২০ জন শ্রমিক আহত হন।
কারখানার সুপারভাইজার হনুফা বলেন, বয়লার বিস্ফোরণে কয়েকজনের হাঁটু, পা কেটে গেছে। কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে লুটিয়ে পড়েন। অনেক শ্রমিক আহত হয়েছেন। মাথায় আঘাত পেয়েছেন অনেকেই। কারখানার স্যাম্পল সেকশনের সবাই আহত হয়েছেন। আশপাশের ফ্লোরে থাই গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়ে অনেকেই আহত হয়েছেন।
কারখানার শ্রমিক পাপিয়ার চাচা জামরুল অভিযোগ করে বলেন, ‘বয়লার বিস্ফোরণের পরপরই কারখানার সামনে আসি। কিন্তু আমার ভাতিজি পাপিয়াকে খোঁজ পাচ্ছি না। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে সে আহত হয়েছে। কিন্তু কোন হাসপাতালে রয়েছে, বেঁচে আছে কি না মারা গেছে জানতে পারিনি।’
কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা শিমু চৌধুরী বলেন, ‘ছোট্ট একটি বয়লার বিস্ফোরণ হয়েছে। এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পারব না। আমি আহতদের নিয়ে ব্যস্ত। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আলহেরা হাসপাতালের পরিচালক চিকিৎসক আবুল হোসেন বলেন, ‘আহত সাতজন শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল বলেন, বয়লার বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। শিল্প পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। বেশ কয়েকজনের আহত হয়েছেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৮ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে