
সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকেরা প্রবেশাধিকার না পেলে বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন আইনজীবীরা। ভার্চুয়াল কোর্টে বিচারকাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্যের সময় আইনজীবীরা এমনটি জানান।
আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘আমরা সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট সবাইকে বলেছি যে সাংবাদিকেরা যেকোনো আদালতে প্রবেশ করবেন, দেখবেন এবং সেটা জাতিকে জানাবেন। এটা না হলে...সবচেয়ে ক্ষতি হবে বিচার বিভাগের। ক্ষতি হবে ন্যায়বিচার প্রার্থী জনগণের। কাজেই আমরা আবারও বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করি, অনতিবিলম্বে সাংবাদিকেরা যেন আপিল বিভাগসহ সমস্ত আদালতে আগের মতো ফ্রি এক্সেস পায়। একটা দেশে ফ্যাসিবাদের জন্ম হয় তখনই, যখন সংবাদমাধ্যমগুলো কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়।’
আইনজীবী মাহবুবুর রহমান খান বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে সেনসিটিভ মামলাগুলোর বিচার হচ্ছে আইসিটি ট্রাইব্যুনালে। সেই ট্রাইব্যুনালের বিচারও লাইভ প্রচার হতে দেখেছি। সুতরাং সেটা যদি লাইভ প্রচার হতে পারে, তাহলে এই আদালতের এজলাসের ভেতরে গণমাধ্যমকর্মীদের যাওয়ার প্রতিবন্ধকতাটা কোথায়, সেটা আমাদের কাছেও বোধগম্য না।’
আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার অবসান শেষে বর্তমান বিচার বিভাগ জনমানুষের জন্য, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। আর সেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গিয়ে তারা স্বচ্ছতার যে জায়গাটা, মানুষের বিশ্বাসের যে জায়গাটা, সেটাতে কোনো সন্দেহের সৃষ্টি করবে না। সেই ক্ষেত্রে প্রকাশ্য বিচারে কোনো অন্তরায় থাকার কথা না।’
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে আপিল বিভাগে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপর হাইকোর্ট বিভাগের কোনো কোনো বিচারকক্ষেও প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হন গণমাধ্যমকর্মীরা।
পরে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারের স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে মামলা শুনানিতে সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বরাবর দুই দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে। আইন, বিচার ও মানবাধিকারবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে এই চিঠি দেওয়া হয়। তবে বিষয়টি এখনো সুরাহা হয়নি।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৩ ঘণ্টা আগে