
শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই নৃশংসতার শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের অসংখ্য নাগরিক। তাঁদের অনেকেই এখনো নিখোঁজ। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন...

সারা দেশের অধস্তন আদালতে বর্তমানে বিচারক আছেন ২ হাজার ২৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে প্রেষণ, মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি, শিক্ষা ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ নানা কারণে চার শতাধিক বিচারককে আদালতের বিচারকাজ থেকে দূরে থাকতে হয় সারা বছর। তাতে আদালতের বিচারকাজ করছেন ১৮ শতাধিক বিচারক।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ১১ দলীয় জোট ও শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার চিফ প্রসিকিউটর বরাবর এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়...

আইনমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রচলিত আইন মেনেই শেখ হাসিনার বিচার করা হবে। বিচার বিভাগের ওপর দেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি। বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এ দেশে কোনো আইনের শাসন ছিল না...