মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে মো. সোহাগ শেখ (৩০) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। সোহাগ শেখ ইছাপুরা ইউনিয়নের পশ্চিম শিয়ালদী গ্রামের দুলাল শেখের পুত্র।
পুলিশ ও স্থানের সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ তিন বছর আগে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে দেড় বছরের একটি পুত্র সন্তান আছে। পারিবারিক কলহের জেরে ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বরে স্ত্রী আরজু বেগম সোহাগকে তালাক দেন। গতকাল সোমবার ছেলেকে দেখার জন্য সোহাগ জেলার লৌহজং উপজেলার শুরপাড়া গ্রামে সাবেক শ্বশুরবাড়ি গেলে আরজু বেগম অপমান করলে সোহাগ তার ভাড়া বাড়িতে চলে আসেন। পরে রাত দেড় টা থেকে মঙ্গলবার বেলা ১১টার যেকোনো সময় রাগ ক্ষোভ সইতে না পেরে ‘আত্মহত্যা’ করেন।
সোহাগের বাবা দুলাল শেখ বলেন, ‘আমার ছেলে কিছুদিন যাবৎ ঘুমের ওষুধ খেত। কিন্তু কোনো নেশা করত না। গতকাল রাতে সে তার ঘরে ঘুমাতে যায়। সকালে অনেক ডাকাডাকি করি। কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে দেখি সে ঝুলে আছে। তাকে ধরলেই সে নিচে পড়ে যায়। পরে পুলিশে খবর দেই।’
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এক এম মিজানুল হক বলেন, সোহাগ শেখ নামে এক যুবক গলায় গামছা পেঁচিয়ে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে রয়েছেন, এমন খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

‘মোবাইল ফোনে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকি পেয়ে ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে সকল প্রস্তুতি নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছি। নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই করতে হবে।’
৩ মিনিট আগে
স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই নেতাকে আজ রিমান্ড শুনানির জন্য কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর পক্ষে আইনজীবী ওবায়দুল ইসলাম রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২৪ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুলের দাঁড়িপাল্লার ব্যানার, ফেস্টুন পুড়িয়ে ও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় এসব ব্যানার, ফেস্টুন পোড়া
২৮ মিনিট আগে
আবেদনে বলা হয়েছে, লে. কর্নেল (অব.) কাজী মমরেজ মাহমুদ দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৪৫ লাখ ১৫ হাজার টাকার সম্পদ গোপনের মাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বিবরণী দাখিল করে এবং জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনপূর্বক দখলে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে