
রাজধানীর মিরপুর রূপনগরে রাসায়নিক গুদাম ও পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনের মধ্যে ৭ জনের লাশ শনাক্ত করেছেন তাঁদের স্বজনেরা। তবে এসব লাশের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএর নমুনা রেখে তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে রূপনগর থানা-পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে রূপনগর থানার ওসি (তদন্ত) মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত ৭টি মরদেহের দাবিদার এসেছে। জানতে পেরেছি, ঢাকা মেডিকেলে আরও কয়েকটি মরদেহের দাবিদার এসেছে। এদের যাচাই-বাছাই করা হবে। তবে মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা রাখা হবে। এ ছাড়া স্বজনদেরও ডিএনএর নমুনা রাখা হবে। এরপর যেগুলো শনাক্ত করেছে, তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ওসি আরও বলেন, রাতেই সব মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ হলেই হস্তান্তরের কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর রূপনগর কেমিক্যাল গোডাউন ও পোশাক কারখানায় লাগা আগুনে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও তিনজন ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে