ঢামেক প্রতিবেদক ও সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলায় একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়া চারজনের মধ্যে বৃদ্ধা সাহিদা খাতুন (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা যান তিনি।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সাহিদা খাতুনের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগে, আজ সকালে মুন্সিগঞ্জ শহরের ইদ্রাকপুর এলাকায় একটি ভবনের পঞ্চমতলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে রিজভী আহমেদ রাসেল (৪২), তাঁর স্ত্রী রোজিনা বেগম (৩৫), সন্তান রাইয়ান আহমেদ (৩) ও রিজভী আহমেদের মা সাহিদা খাতুন (৬৫) দগ্ধ হন।
চিকিৎসক তরিকুল বলেন, রিজভীর শরীরের ১০ শতাংশ, রাইয়ানের ৮ শতাংশ ও রোজিনার ১২ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের সবারই মুখ ও শ্বাসনালি বেশি পুড়ে গেছে। সবার অবস্থায় আশঙ্কাজনক।
দগ্ধ রিজভী আহমেদ জানান, তাঁরা চলতি মাসের ১ তারিখে মুন্সিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পাশেই একটি ভবনের পাঁচতলার বাসায় ভাড়া নেন। তিনি মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) প্রোগ্রাম অফিসার। আর তাঁর স্ত্রী গৃহিণী।
রিজভী বলেন, ‘রাতে স্ত্রী রোজিনা ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। বাবা রজব আলী ভোরে ফজরের নামাজের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন। মা সাহিদা খাতুন ভোরে রান্নার জন্য ওঠেন। রান্নাঘরে গ্যাসের চুলা জ্বালাতেই সেখান থেকে বিস্ফোরণ হয়। এই বিস্ফোরণের আগুনে মায়ের শরীর পুরোটাই পুড়ে যায়। এ ছাড়া ঘুমন্ত অবস্থায় আমরাও দগ্ধ হই।’
রিজভীর বাবা রজব আলী জানান, ফজরের নামাজ পড়ে তিনি বাইরে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়েছিলেন। বাসার ফেরার সময় শুনতে পান, তাঁদের বাসায় বিস্ফোরণে পরিবারের সবাই দগ্ধ হয়েছেন। তখন তিনি দ্রুত বাসায় গিয়ে তাঁদের দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসেন।
এদিকে আকস্মিক এ বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে মুন্সিগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট মো. মাসুদুল আলমকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলায় একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়া চারজনের মধ্যে বৃদ্ধা সাহিদা খাতুন (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা যান তিনি।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সাহিদা খাতুনের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগে, আজ সকালে মুন্সিগঞ্জ শহরের ইদ্রাকপুর এলাকায় একটি ভবনের পঞ্চমতলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে রিজভী আহমেদ রাসেল (৪২), তাঁর স্ত্রী রোজিনা বেগম (৩৫), সন্তান রাইয়ান আহমেদ (৩) ও রিজভী আহমেদের মা সাহিদা খাতুন (৬৫) দগ্ধ হন।
চিকিৎসক তরিকুল বলেন, রিজভীর শরীরের ১০ শতাংশ, রাইয়ানের ৮ শতাংশ ও রোজিনার ১২ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের সবারই মুখ ও শ্বাসনালি বেশি পুড়ে গেছে। সবার অবস্থায় আশঙ্কাজনক।
দগ্ধ রিজভী আহমেদ জানান, তাঁরা চলতি মাসের ১ তারিখে মুন্সিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পাশেই একটি ভবনের পাঁচতলার বাসায় ভাড়া নেন। তিনি মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) প্রোগ্রাম অফিসার। আর তাঁর স্ত্রী গৃহিণী।
রিজভী বলেন, ‘রাতে স্ত্রী রোজিনা ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। বাবা রজব আলী ভোরে ফজরের নামাজের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন। মা সাহিদা খাতুন ভোরে রান্নার জন্য ওঠেন। রান্নাঘরে গ্যাসের চুলা জ্বালাতেই সেখান থেকে বিস্ফোরণ হয়। এই বিস্ফোরণের আগুনে মায়ের শরীর পুরোটাই পুড়ে যায়। এ ছাড়া ঘুমন্ত অবস্থায় আমরাও দগ্ধ হই।’
রিজভীর বাবা রজব আলী জানান, ফজরের নামাজ পড়ে তিনি বাইরে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়েছিলেন। বাসার ফেরার সময় শুনতে পান, তাঁদের বাসায় বিস্ফোরণে পরিবারের সবাই দগ্ধ হয়েছেন। তখন তিনি দ্রুত বাসায় গিয়ে তাঁদের দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসেন।
এদিকে আকস্মিক এ বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে মুন্সিগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট মো. মাসুদুল আলমকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে