জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জীবননগর পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মায়দানে জানাজা শেষে পৌর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় শামসুজ্জামান ডাবলুর প্রথম জানাজা জীবননগর পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর ছোট ভাই ফ্রান্সপ্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দেখানোর জন্য মরদেহ ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে ডাবলুর বাড়ির সামনে জীবননগর আশতলাপাড়ায় রাখা হয়।
দ্বিতীয় জানাজায় ডাবলুর বড় ভাই উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম কাজল, ছোট ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ আত্মীয়স্বজন ও নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর বলেন, ‘নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর একটা অস্ত্র নাটক করা হয়েছে।’
পরিবারের সদস্য কাজল ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় ডাবলুর হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করে বিএনপির কার্যালয়ের একটি কক্ষে নিয়ে যান কয়েকজন সেনাসদস্য। পরে রাত ১২টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মকবুল হোসেনের তথ্যমতে, ১২ জানুয়ারি রাত ১২টা ১৬ মিনিটে ডাবলুকে জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত অবস্থায় আনা হয়।
চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল-নাসের আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জীবননগরে বিএনপি নেতাকে তুলে নেওয়ার সময় জেলা পুলিশের কোনো সদস্য সেখানে ছিলেন না। তবে যখন ওই নেতাকে জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, তখন পুলিশ খবর পায়। পরে সেখানে যান পুলিশ সদস্যরা।’
ডাবলুর মৃত্যর পর রাত থেকেই জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন।
পরদিন বেলা ১১টার দিকে ফের ঘটনাস্থলে আসেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। পরে তাঁরা নেতা-কর্মীদের শান্ত করলে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে বিচারের আশ্বাসে বেলা দেড়টার দিকে তাঁরা শামসুজ্জামান ডাবলুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান। ময়নাতদন্তের পর সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ বাড়ি পৌঁছায়। গতকাল বেলা ১১টায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জীবননগর পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মায়দানে জানাজা শেষে পৌর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় শামসুজ্জামান ডাবলুর প্রথম জানাজা জীবননগর পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর ছোট ভাই ফ্রান্সপ্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দেখানোর জন্য মরদেহ ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে ডাবলুর বাড়ির সামনে জীবননগর আশতলাপাড়ায় রাখা হয়।
দ্বিতীয় জানাজায় ডাবলুর বড় ভাই উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম কাজল, ছোট ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ আত্মীয়স্বজন ও নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর বলেন, ‘নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর একটা অস্ত্র নাটক করা হয়েছে।’
পরিবারের সদস্য কাজল ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় ডাবলুর হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করে বিএনপির কার্যালয়ের একটি কক্ষে নিয়ে যান কয়েকজন সেনাসদস্য। পরে রাত ১২টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মকবুল হোসেনের তথ্যমতে, ১২ জানুয়ারি রাত ১২টা ১৬ মিনিটে ডাবলুকে জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত অবস্থায় আনা হয়।
চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল-নাসের আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জীবননগরে বিএনপি নেতাকে তুলে নেওয়ার সময় জেলা পুলিশের কোনো সদস্য সেখানে ছিলেন না। তবে যখন ওই নেতাকে জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, তখন পুলিশ খবর পায়। পরে সেখানে যান পুলিশ সদস্যরা।’
ডাবলুর মৃত্যর পর রাত থেকেই জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন।
পরদিন বেলা ১১টার দিকে ফের ঘটনাস্থলে আসেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। পরে তাঁরা নেতা-কর্মীদের শান্ত করলে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে বিচারের আশ্বাসে বেলা দেড়টার দিকে তাঁরা শামসুজ্জামান ডাবলুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠান। ময়নাতদন্তের পর সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ বাড়ি পৌঁছায়। গতকাল বেলা ১১টায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
৮ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৭ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
২ ঘণ্টা আগে