Ajker Patrika

ইরাক থেকে ইরানে ঢোকার চেষ্টা করছে সশস্ত্র কুর্দিরা, ঠেকাতে সাহায্য করছে তুরস্ক

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১০: ১৪
ইরানি কুর্দি বিদ্রোহী যোদ্ধাদের কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
ইরানি কুর্দি বিদ্রোহী যোদ্ধাদের কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত

সশস্ত্র কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো ইরাক থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। রয়টার্সকে এমনটি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ওপর কয়েক দিনের কঠোর দমনপীড়নের পর সৃষ্ট অস্থিরতার সুযোগ নেওয়ার জন্য দেশটিতে বিদেশি শক্তিগুলোর সম্ভাব্য অস্থিরতা তৈরির চেষ্টার এটি একটি লক্ষণ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাসহ ওই তিন সূত্র জানিয়েছে, প্রতিবেশী তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) সীমান্ত দিয়ে কুর্দি যোদ্ধাদের প্রবেশের বিষয়ে সতর্ক করেছিল।

ইরানের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইআরজিসি কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। তাঁর মতে, ওই যোদ্ধারা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে এবং বিক্ষোভের সুযোগ নিতে চেয়েছিল। উল্লেখ্য, বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইরানের একটি অভিজাত বাহিনী, যা এর আগেও ইরানে বিভিন্ন অস্থিরতা দমন করেছে।

তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি বা আঙ্কারার প্রেসিডেন্সি—কেউই এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তুরস্ক, যারা উত্তর ইরাকের কুর্দি জঙ্গিদের সন্ত্রাসী বলে গণ্য করে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সতর্ক করেছে যে ইরানে যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ আঞ্চলিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

এদিকে কুর্দি যোদ্ধাদের ইরাক এবং তুরস্ক থেকে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেন ওই ইরানি কর্মকর্তা। তিনি আরও যোগ করেন, তেহরান ওই দেশগুলোকে ইরানে যোদ্ধা বা অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক মানবাধিকার সংস্থার মতে, গত কয়েক দিনে ইরানি বিক্ষোভকারীদের ওপর চালানো দমনপীড়নে ২ হাজার ৬০০ জন নিহত হয়েছেন। ওই বিক্ষোভকারীরা ধর্মীয় শাসনের বিরোধিতা করছেন এবং তাঁদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে, যারা ইতিমধ্যে (প্রয়োজনে) হস্তক্ষেপ করার হুমকি দিয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত