নিয়মিত বিরতিতে অগ্নিকাণ্ড ও মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সংস্কৃতির সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে তারা বলেছে, লোক দেখানো অভিযানের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আড়াল করা হচ্ছে।
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডে আগুনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের নিষ্ক্রিয়তা, সমন্বয়হীনতা, দুর্নীতি, জবাবদিহির অনুপস্থিতি ও বিচারহীনতা মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের পুনরাবৃত্তির কারণ হিসেবে উল্লেখ করে, দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে আদালত বেশ কিছু নির্দেশনা প্রদান করেছেন এবং নানা সময়ে গঠিত তদন্ত কমিটি ও টাস্কফোর্স বেশ কিছু সুপারিশও প্রস্তাব করেছে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের নিষ্ক্রিয়তা, দায়িত্বহীনতা, সমন্বয়হীনতা, পরিকল্পনার অভাব, অনিয়ম-দুর্নীতি এবং কর্মকর্তাদের জবাবদিহির ঘাটতির কারণে এ সকল সুপারিশের বেশির ভাগ বাস্তবায়ন হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজউক, সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিসসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন সংস্থা দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর বরাবরের মতো সমস্যার মূল কারণকে গুরুত্ব না দিয়ে, লোক দেখানো “অভিযান” পরিচালনা ও এমন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করছে। যাদের নির্ধারিত দায়িত্বের সঙ্গে দুর্ঘটনার মূল কারণের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বললেই চলে। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিজেদের দায় এড়ানো ও প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের আড়াল করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, ‘ধারাবাহিক এই অগ্নিকাণ্ডের ও প্রাণহানির পেছনে মূল কারণ হিসেবে আমরা দেখতে পাই, ভবন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট আইন অনুসরণ না করা এবং মালিক কর্তৃক ভবনে অনুমোদনবহির্ভূত কার্যক্রম পরিচালনা।’
ইতিপূর্বে পুরান ঢাকায় একাধিকবার সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে টিআইবি ২০২০ সালে ‘নিমতলী, চুড়িহাট্টা এবং অতঃপর: পুরোনো ঢাকার অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণা পরিচালনা করেছিল। এই গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, বারবার মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পরেও রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি এবং ব্যবসায়ী, ভবন মালিক, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যোগসাজশ ও অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে রাসায়নিক পদার্থের গুদাম ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়।
গবেষণাটির উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের কার্যকর প্রতিরোধের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিতের পাশাপাশি অবিলম্বে আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক ভবন এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। আমরা দেখছি, অগ্নিকাণ্ডের জন্য প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারায় নির্মম প্রাণহানির ঘটনা স্বাভাবিকতায় রূপ নিয়েছে।’

আইন অনুযায়ী, ওয়াসা বোর্ডের সদস্যের বাইরে কেউ প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। তবে এই আইনের তোয়াক্কা না করেই চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস মিয়া। ওয়াসার জমি বন্ধ রেখে ২২ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে।
৪ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটায় সকাল ৯টা। বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দাঁড়িয়ে বাঁশি বাজিয়ে শিক্ষার্থীদের সারবদ্ধভাবে ভেতরে প্রবেশ করান প্রধান শিক্ষক। পরে শুরু হলো প্রাত্যহিক সমাবেশ। শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শারীরিক কসরতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই পর্ব। এরপর শিক্ষার্থীরা আবার সারবদ্ধভাবে যার যার শ্রেণিকক্ষে চলে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
যশোর শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের প্রত্যন্ত গ্রাম মদনপুর। ঝিকরগাছা উপজেলার গ্রামটির বটতলা মোড় থেকে দক্ষিণ দিকের পিচঢালা পথ ধরে এগিয়ে গেলে দেখা মিলবে মাঠের পর মাঠ। এই মাঠের বুক চিরে যে পিচঢালা পথ, সেটি গিয়ে মিশেছে রাজগঞ্জ বাজারে। যে সড়কের দুই পাশে যত দূর চোখ যাবে, দেখা মিলবে সারি সারি ছোট-বড় তালগাছের।
৫ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়োগবাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের বাধার মুখে নিয়োগ কমিটি একটি ইটভাটায় গিয়ে নিয়োগের কাজ শেষ করেন বলে জানা গেছে। গত শনিবার উপজেলার বালারচর নাছিরিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
৫ ঘণ্টা আগে