
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হওয়া আরও দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ছাড়পত্র পাওয়া শিক্ষার্থীদের একজন ষষ্ঠ শ্রেণির নিলয় (১৩), অপরজন পঞ্চম শ্রেণির রুপি বড়ুয়া (১০)।
দীর্ঘ দুই মাসের চিকিৎসা শেষে আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে তারা ছাড়পত্র পেল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিলয়ের দেহের ২৫ শতাংশ ও রুপির ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তারা সেরে ওঠায় আজ তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হলো।
তিনি জানান, মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। হাসপাতালে এখন স্কুলটির ৮ শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিচ্ছে। তাদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ২০ জনের।
গত ২১ জুলাই দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে স্কুলটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, আয়া, অভিভাবকসহ ৩৬ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয় শতাধিক মানুষ।

কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
২৩ মিনিট আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
৪২ মিনিট আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
মোসা. লাইজু বেগম নামের এক নারী ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে চাল নিতে আসেন। বেলা দেড়টার দিকে অনেক কষ্টে চাল নিয়ে বের হন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পরিষদের ভেতরে প্রচুর ভিড় ও ঠাসাঠাসি ছিল। সকালে শিশু নিয়ে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর এক ব্যক্তির সহায়তায় কোনোমতে চাল নিতে পেরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে