কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ায় আশ্রয়শিবিরে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরএসওর এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মিয়ানমারের আরেক সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরসার সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার মধুরছড়া ৪ নম্বর বর্ধিত ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত রোহিঙ্গার নাম মোহাম্মদ জলিল (৩৫)। তিনি ৪ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক-এ/ ৩-এর বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) অস্ত্রধারীরা আধিপত্য বিস্তারের জেরে মোহাম্মদ জলিলকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে।
স্থানীয়দের বরাতে উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সোমবার বিকেল ৪টায় মোহাম্মদ জলিলসহ তিনজন রোহিঙ্গাকে আরসার সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। রাতে গুলিবিদ্ধ জলিলকে সন্ত্রাসীরা ২০ ও ৪ নম্বর বর্ধিত ক্যাম্পের ফুটবল মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত মোহাম্মদ জলিলকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের ভেতরে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ওসি আরও বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায় নিহত জলিল আরএসও’র সক্রিয় সদস্য। ক্যাম্পের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আরসা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল জানিয়েছেন, এ ঘটনার পর ক্যাম্পে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্যাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।

কক্সবাজারের উখিয়ায় আশ্রয়শিবিরে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরএসওর এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মিয়ানমারের আরেক সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরসার সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার মধুরছড়া ৪ নম্বর বর্ধিত ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত রোহিঙ্গার নাম মোহাম্মদ জলিল (৩৫)। তিনি ৪ নম্বর ক্যাম্পের ব্লক-এ/ ৩-এর বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) অস্ত্রধারীরা আধিপত্য বিস্তারের জেরে মোহাম্মদ জলিলকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে।
স্থানীয়দের বরাতে উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সোমবার বিকেল ৪টায় মোহাম্মদ জলিলসহ তিনজন রোহিঙ্গাকে আরসার সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। রাতে গুলিবিদ্ধ জলিলকে সন্ত্রাসীরা ২০ ও ৪ নম্বর বর্ধিত ক্যাম্পের ফুটবল মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত মোহাম্মদ জলিলকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের ভেতরে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ওসি আরও বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায় নিহত জলিল আরএসও’র সক্রিয় সদস্য। ক্যাম্পের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আরসা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল জানিয়েছেন, এ ঘটনার পর ক্যাম্পে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্যাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে