কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এ সময় দুটি গুলি সরাসরি বন্দরে আঘাত করে।
এর মধ্যে একটি গুলি বন্দরে একটি ভবনের কাচের জানালায় লাগে। অপরটি বন্দরের অভ্যন্তরে থাকা একটি ট্রাকের সামনের গ্লাসে লাগে। আজ বুধবার বেলা দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হঠাৎ করে নাফ নদের ওপারে মিয়ানমারে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এর মধ্যে দুটি গুলি এসে লাগে বন্দরে। একটি গুলি লেগে তাঁর কক্ষের জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। অপরটি একটি ট্রাকের সামনের গ্লাসে বিদ্ধ হয়।
তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে কারা গুলিবর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ওপারের গোলাগুলির ঘটনায় বন্দরের ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থলবন্দরে আসা আচার, আদা, শুঁটকি, সুপারিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের খালাস বন্ধ রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দরে পণ্য ওঠানামার দায়িত্বে থাকা শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মিয়ানমার থেকে আসা একটি জাহাজের মালামাল খালাসও বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া ১১টি ট্রাকে মালামাল ওঠানোর কাজও বন্ধ রয়েছে।
সীমান্তের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাখাইনের দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে বন্দরের অদূরে লালদিয়া নামক এলাকায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলছে। এই দ্বীপটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পড়েছে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে আরএসওর যোদ্ধারা অবস্থা করছে। তাদেরকে হটিয়ে আরকান আর্মি দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে মিয়ানমারের রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতে দুপক্ষের মধ্যে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। হামলায় বেশ কিছু রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে প্রাণ বাঁচাতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৭৬৫ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। তাঁদের মধ্যে ৩ দফায় মিয়ানমারে ৭৫২ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মংডু শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি এর মধ্যে রাখাইনের অধিকাংশ এলাকা দখলে নিয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। এ সময় দুটি গুলি সরাসরি বন্দরে আঘাত করে।
এর মধ্যে একটি গুলি বন্দরে একটি ভবনের কাচের জানালায় লাগে। অপরটি বন্দরের অভ্যন্তরে থাকা একটি ট্রাকের সামনের গ্লাসে লাগে। আজ বুধবার বেলা দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হঠাৎ করে নাফ নদের ওপারে মিয়ানমারে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এর মধ্যে দুটি গুলি এসে লাগে বন্দরে। একটি গুলি লেগে তাঁর কক্ষের জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। অপরটি একটি ট্রাকের সামনের গ্লাসে বিদ্ধ হয়।
তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে কারা গুলিবর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ওপারের গোলাগুলির ঘটনায় বন্দরের ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থলবন্দরে আসা আচার, আদা, শুঁটকি, সুপারিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের খালাস বন্ধ রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দরে পণ্য ওঠানামার দায়িত্বে থাকা শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মিয়ানমার থেকে আসা একটি জাহাজের মালামাল খালাসও বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া ১১টি ট্রাকে মালামাল ওঠানোর কাজও বন্ধ রয়েছে।
সীমান্তের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাখাইনের দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ও আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে বন্দরের অদূরে লালদিয়া নামক এলাকায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলছে। এই দ্বীপটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পড়েছে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে আরএসওর যোদ্ধারা অবস্থা করছে। তাদেরকে হটিয়ে আরকান আর্মি দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে মিয়ানমারের রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতে দুপক্ষের মধ্যে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। হামলায় বেশ কিছু রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে প্রাণ বাঁচাতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৭৬৫ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। তাঁদের মধ্যে ৩ দফায় মিয়ানমারে ৭৫২ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মংডু শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি এর মধ্যে রাখাইনের অধিকাংশ এলাকা দখলে নিয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে