চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় খালে মাছ শিকারে গিয়ে বাড়ি না ফেরা যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই যুবকের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে উল্লেখ করে সুরতহাল করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও পরিবারের ধারণা, মাছ শিকার নিয়ে বিরোধে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের আব্দুল হাকিমপাড়ার শূকর মরা খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে খালে মাছ শিকারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ওই যুবক।
নিহত যুবকের নাম মোহাম্মদ মোকারম রাহাত (২৫)। তিনি কোনাখালীর আব্দুল হাকিমপাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। মোকারম শূকর মরা খালে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয়রা বলছে, গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মাছ শিকারের কথা বলে বাড়ির পাশে শূকর মরা খালে যান মোকারম। এরপর ওই রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে পরিবারের লোকজন খাল ও বাজারে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পায়নি।
আজ (বুধবার) ভোরে খালের মাঝখানে তাঁর ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পরিবারকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে সাড়ে ৯টার দিকে চকরিয়া থানার পুলিশ ও মাতামুহুরি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে উল্লেখ করে মাতামুহুরি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) অচিন্ত্য কুমার দে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সুরতহাল করার সময় লাশের মাথার পেছনে লোহার দা বা কিরিচের গভীর জখম পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
নিহতের বাবা আলী হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিন খালে মাছ শিকার করতে যায় মোকারম। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাতে আর ফেরেনি। রাতে না ফেরায় আমরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান পাইনি। ভোরে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, খালে তার নিথর দেহ ভাসছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে গ্রামের কয়েকজনের মাছ ধরা নিয়ে বিরোধ ছিল। তারাই তাকে হত্যা করেছে। এসব তথ্য পুলিশকে জানিয়েছি। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে মাতামুহুরি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাশ উদ্ধার ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। লাশের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা বের করতে পুলিশ তদন্ত করছে।’

কক্সবাজারের চকরিয়ায় খালে মাছ শিকারে গিয়ে বাড়ি না ফেরা যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই যুবকের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে উল্লেখ করে সুরতহাল করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও পরিবারের ধারণা, মাছ শিকার নিয়ে বিরোধে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের আব্দুল হাকিমপাড়ার শূকর মরা খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে খালে মাছ শিকারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ওই যুবক।
নিহত যুবকের নাম মোহাম্মদ মোকারম রাহাত (২৫)। তিনি কোনাখালীর আব্দুল হাকিমপাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। মোকারম শূকর মরা খালে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয়রা বলছে, গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মাছ শিকারের কথা বলে বাড়ির পাশে শূকর মরা খালে যান মোকারম। এরপর ওই রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে পরিবারের লোকজন খাল ও বাজারে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পায়নি।
আজ (বুধবার) ভোরে খালের মাঝখানে তাঁর ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পরিবারকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে সাড়ে ৯টার দিকে চকরিয়া থানার পুলিশ ও মাতামুহুরি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে উল্লেখ করে মাতামুহুরি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) অচিন্ত্য কুমার দে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সুরতহাল করার সময় লাশের মাথার পেছনে লোহার দা বা কিরিচের গভীর জখম পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
নিহতের বাবা আলী হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিন খালে মাছ শিকার করতে যায় মোকারম। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাতে আর ফেরেনি। রাতে না ফেরায় আমরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান পাইনি। ভোরে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি, খালে তার নিথর দেহ ভাসছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে গ্রামের কয়েকজনের মাছ ধরা নিয়ে বিরোধ ছিল। তারাই তাকে হত্যা করেছে। এসব তথ্য পুলিশকে জানিয়েছি। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে মাতামুহুরি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাশ উদ্ধার ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। লাশের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা বের করতে পুলিশ তদন্ত করছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে