রাঙামাটির জুরাছড়িতে দুর্বৃত্তরা শিক্ষিকার বাইক পুড়িয়ে দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা সদরের মোহনা আবাসিক ভবনে এই ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন জুরাছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের কাজ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জুরাছড়ি উপজেলা পরিষদের মোহনা আবাসিক ভবনের পূর্ব ফ্ল্যাটে অনেক দিন ধরে থাকেন একমাত্র মেয়েকে নিয়ে শিউলি চাকমা। তিনি মাধবছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।
এ বিষয়ে শিউলি চাকমা মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ভবনের গেট তালাবদ্ধ থাকে। গতকাল বিশেষ কাজে রাঙামাটি এসেছি। ঘটনার খবর পাই আজ ভোরে। আমি কাউকে ক্ষতি করিনি, সাদামাঠা জীবন–যাপন করছি। অথচ স্কুলে যাওয়ার একমাত্র ভরসা বাইকটি পুড়িয়ে দিল।’
শিউলি চাকমা আরও বলেন, ‘আমি তো কোনো রাজনীতি করি না, আমি সরকারি ভবনে অবস্থান করে সরকারি চাকরি করে যাচ্ছি-তাহলে আমার অনেক কষ্টে কেনা বাইক পুড়ে দিল কেন?’ তিনি নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়ের কথা জানান। রাঙামাটি থেকে ফিরে জুরাছড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করবেন বলে জানান।
জুরাছড়ি থানার উপপরিদর্শক মোরশেদ আলম বলেন, ‘ঘটনা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। এখনই যা করার করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী মামলা দায়ের করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৫ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৭ ঘণ্টা আগে