রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাউজানে সর্ত্তা গহিরা পল্লী মঙ্গল সমিতির মহাশ্মশান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাউজান থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সমিতির নেতারা। রাতের বেলা উপজেলার চিকদাইর ইউনিয়নের বড়পুল এলাকায় স্থানীয় নূপুর দত্ত ও তাঁর ভাই বাদল দত্ত ভাঙচুর করে জায়গা দখলের চেষ্টা করেছে বলে দাবি তাঁদের।
আজ শুক্রবার বিকেলে অভিযোগ পাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ডিউটি কর্মকর্তা মনিতোষ চাকমা। এর আগে সকালে শ্মশানসংলগ্ন সড়কের পাশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শ্মশান ভাঙচুরে জড়িত নূপুর দত্ত ও তাঁর ভাই বাদল দত্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয় বাসিন্দা সদীপ দে বলেন, ‘আমাদের প্রাচীন মহাশ্মশানটি দীর্ঘদিন ধরে নূপুর দত্ত ও বাদল দত্তের দখলে নিয়েছিল। গত কয়েক মাস আগে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সর্ত্তা গহিরা পল্লী মঙ্গল সমিতির মহাশ্মশানে দাহ করার জন্য পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। সেটি রাতে অন্ধকারে ভেঙে দিয়েছে নূপুর দত্ত ও তার ভাই বাদল দত্ত। আমরা তাদের শাস্তি দাবি করছি।’
সর্ত্তা গহিরা পল্লী মঙ্গল সমিতির সভাপতি ডা. উত্তম পালিত বলেন, ‘আমাদের এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু নূপুর দত্ত ও তার ভাই বাদল দত্ত মিলে আমাদের শ্মশান ভাঙচুর করেছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আজ আমরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি। ওই দুই ভাই আমাদের নবনির্মিত মহাশ্মশান ভাঙচুর করেছে। তাদের অর্থায়নে পুনরায় নির্মাণ করে দিতে হবে। তা না হলে তাদের এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’
অভিযুক্ত নূপুর দত্তের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে ও তাঁর ভাইকে পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয় একটি আশ্রমে আছেন বলে সংবাদ পেয়ে সেখানে গেলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে একাধিকার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
সূত্র জানিয়েছে, শ্মশান ভাঙচুরের পর থেকে তাঁরা দুই ভাই পলাতক রয়েছেন। রাউজান থানার ডিউটি কর্মকর্তা মনিতোষ চাকমা বলেন, ‘মহাশ্মশান ভাঙচুরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, থানার কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রামের রাউজানে সর্ত্তা গহিরা পল্লী মঙ্গল সমিতির মহাশ্মশান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাউজান থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সমিতির নেতারা। রাতের বেলা উপজেলার চিকদাইর ইউনিয়নের বড়পুল এলাকায় স্থানীয় নূপুর দত্ত ও তাঁর ভাই বাদল দত্ত ভাঙচুর করে জায়গা দখলের চেষ্টা করেছে বলে দাবি তাঁদের।
আজ শুক্রবার বিকেলে অভিযোগ পাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ডিউটি কর্মকর্তা মনিতোষ চাকমা। এর আগে সকালে শ্মশানসংলগ্ন সড়কের পাশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শ্মশান ভাঙচুরে জড়িত নূপুর দত্ত ও তাঁর ভাই বাদল দত্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয় বাসিন্দা সদীপ দে বলেন, ‘আমাদের প্রাচীন মহাশ্মশানটি দীর্ঘদিন ধরে নূপুর দত্ত ও বাদল দত্তের দখলে নিয়েছিল। গত কয়েক মাস আগে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সর্ত্তা গহিরা পল্লী মঙ্গল সমিতির মহাশ্মশানে দাহ করার জন্য পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে। সেটি রাতে অন্ধকারে ভেঙে দিয়েছে নূপুর দত্ত ও তার ভাই বাদল দত্ত। আমরা তাদের শাস্তি দাবি করছি।’
সর্ত্তা গহিরা পল্লী মঙ্গল সমিতির সভাপতি ডা. উত্তম পালিত বলেন, ‘আমাদের এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু নূপুর দত্ত ও তার ভাই বাদল দত্ত মিলে আমাদের শ্মশান ভাঙচুর করেছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আজ আমরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি। ওই দুই ভাই আমাদের নবনির্মিত মহাশ্মশান ভাঙচুর করেছে। তাদের অর্থায়নে পুনরায় নির্মাণ করে দিতে হবে। তা না হলে তাদের এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’
অভিযুক্ত নূপুর দত্তের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে ও তাঁর ভাইকে পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয় একটি আশ্রমে আছেন বলে সংবাদ পেয়ে সেখানে গেলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে একাধিকার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
সূত্র জানিয়েছে, শ্মশান ভাঙচুরের পর থেকে তাঁরা দুই ভাই পলাতক রয়েছেন। রাউজান থানার ডিউটি কর্মকর্তা মনিতোষ চাকমা বলেন, ‘মহাশ্মশান ভাঙচুরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, থানার কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে