সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সন্ত্রাসীর গুলিতে শাহা আলম নামের এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের নলতায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রবিউল ইসলাম হৃদয় (৩২) নামের এক যুবককে পিস্তলসহ আটক করেছে পুলিশ। শাহা আলম বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শাহা আলম দেবহাটা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামের বাসিন্দা। নলতা বাজারে তাঁর ফাতেমা টেলিকম নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানে তিনি মোবাইল বিক্রিসহ ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশের এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা করতেন। আটক হৃদয় কালিগঞ্জ উপজেলার পাইকাড়া গ্রামের নূরইসলামের ছেলে।
নলতা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আরিজুল ইসলাম জানান, শাহা আলম শনিবার রাত ১১টার দিকে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে প্রতিবেশী বন্ধু অহিদুল ইসলামের মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফিরছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা তাঁদের মোটরসাইকেল গতিরোধ করে শাহা আলমের কাছে থাকা ৭ লাখ টাকা বহন করা ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাঁরা (সন্ত্রাসীরা) ব্যর্থ হয়ে ধস্তাধস্তি করে। একপর্যায়ে শাহা আলমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হন শাহা আলম। এ সময় শাহা আলম চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে হৃদয়কে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। বাকি সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. আসাদুজ্জামান জানান, শাহা আলমের বুকের বাম পাশে লাগা গুলিটি বের করা হয়েছে। এখনো তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। তিনি আশঙ্কামুক্ত কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদেশি পিস্তলসহ হৃদয়কে আটক করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের গণধোলাইয়ে তিনি গুরুতর আহত হওয়ায় চিকিৎসার জন্য পুলিশ হেফাজতে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।

অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১ কেজি ২১৫ গ্রাম গাঁজা; ২ হাজার ২৯০ ইয়াবা; দরজা ও জানালায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আকারের ১৫টি পুরোনো অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের টুকরা; একটি চাকু; একটি অ্যান্টিকাটার; পাঁচটি মোবাইল ফোন; একটি মোটরসাইকেল এবং নগদ ৮ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
১৫ মিনিট আগে
দিনাজপুরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফ মুনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
২৫ মিনিট আগে
সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের কমলগঞ্জ উপজেলায়। বাবার নাম নবী মিয়া। বর্তমানে ছোট স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সঙ্গে নাজিমুদ্দিন রোডের বাসায় থাকতেন। বড় স্ত্রী ডলি বেগম দুই ছেলে, এক মেয়েকে নিয়ে হোসেনি দালান এলাকায় বসবাস করেন।
৩২ মিনিট আগে
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতে হাসুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর ঘর থেকে ২০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে পুলিশ।
৩৬ মিনিট আগে