নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের তিন টিকিট কালেক্টরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে। তাঁদের পরিবর্তে বুকিং সহকারী তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যেটি নিয়মের ব্যত্যয় বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, গত বুধবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব চট্টগ্রামে আসেন। ওইদিন রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা ছিলেন। স্টেশনের গেটে যাদের টিকিট চেক করার দায়িত্ব তাঁরা ছিলেন না। ফলে ওই দিনই তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এদের পরিবর্তে তিন বুকিং সহকারীকে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া তিনজন টিকিট কালেক্টর হলেন কামরুল ইসলাম, আবু সাইদ ফিরোজ ও মো. সবুজ। তাঁদের পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করছেন বুকিং সহকারী জহিরুল ইসলাম, যতন শীল ও গোপীনাথ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম স্টেশনের ব্যবস্থাপক রতন কুমার চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডিউটি শেষ পর্যায়ে হওয়ায় ওই তিনজন গেট ছেড়ে বাসায় চলে যান। ওই দিন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব মহোদয় এসেছিলেন। দায়িত্ব অবহেলায় ওই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।’
দায়িত্ব অবহেলার বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বুকিং সহকারী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মৌখিকভাবে টিসির দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।’
রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, টিসির দায়িত্ব বুকিং সহকারীকে দেওয়াটা উচিত হয়নি। রেলওয়ের ইতিহাসে এ রকম ঘটনা আর ঘটেনি। দায়িত্ব দিতে চাইলে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন স্টেশন থেকে টিসি এনে সাময়িক দায়িত্ব দিতে পারত।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) ইতি ধরের মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কোনো সাংবাদিকের ফোন ধরেন না। দায়িত্বও ঠিকমতো পালন করেন না। পাহাড়তলীর নিজ অফিসে কমিশনের ভিত্তিতে শুধু ফাইলে সইয়ে ব্যস্ত থাকেন।

দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের তিন টিকিট কালেক্টরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে। তাঁদের পরিবর্তে বুকিং সহকারী তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যেটি নিয়মের ব্যত্যয় বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, গত বুধবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব চট্টগ্রামে আসেন। ওইদিন রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা ছিলেন। স্টেশনের গেটে যাদের টিকিট চেক করার দায়িত্ব তাঁরা ছিলেন না। ফলে ওই দিনই তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এদের পরিবর্তে তিন বুকিং সহকারীকে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া তিনজন টিকিট কালেক্টর হলেন কামরুল ইসলাম, আবু সাইদ ফিরোজ ও মো. সবুজ। তাঁদের পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করছেন বুকিং সহকারী জহিরুল ইসলাম, যতন শীল ও গোপীনাথ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম স্টেশনের ব্যবস্থাপক রতন কুমার চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডিউটি শেষ পর্যায়ে হওয়ায় ওই তিনজন গেট ছেড়ে বাসায় চলে যান। ওই দিন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব মহোদয় এসেছিলেন। দায়িত্ব অবহেলায় ওই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।’
দায়িত্ব অবহেলার বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বুকিং সহকারী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মৌখিকভাবে টিসির দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।’
রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, টিসির দায়িত্ব বুকিং সহকারীকে দেওয়াটা উচিত হয়নি। রেলওয়ের ইতিহাসে এ রকম ঘটনা আর ঘটেনি। দায়িত্ব দিতে চাইলে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন স্টেশন থেকে টিসি এনে সাময়িক দায়িত্ব দিতে পারত।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) ইতি ধরের মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কোনো সাংবাদিকের ফোন ধরেন না। দায়িত্বও ঠিকমতো পালন করেন না। পাহাড়তলীর নিজ অফিসে কমিশনের ভিত্তিতে শুধু ফাইলে সইয়ে ব্যস্ত থাকেন।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম-১৩ সংসদীয় আসনের বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
৮ মিনিট আগে
ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কলেজশিক্ষার্থী মাহবুবুল হাসান মাসুম (২৫) হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনী-২ আসনের সা
১১ মিনিট আগে
ইলিশ সাধারণত বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি হয়। পদ্মার ইলিশের প্রতি ভারতে বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এই ইলিশ কোনো কোনো সময় কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এবার ঘটেছে উল্টো ঘটনা— ভারত থেকে ইলিশ এসেছে বাংলাদেশে। যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আনা প্রায় ৬ হাজার কেজি ইলিশ...
২৪ মিনিট আগে
পৌষ মাসের শেষ দিন এলেই একসময় পুরান ঢাকার আকাশজুড়ে দেখা যেত ঘুড়ির রাজত্ব। রঙিন ঘুড়িতে ছেয়ে যেত ছাদ থেকে ছাদ, অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ত উৎসবের আমেজ। তবে এ বছর সাকরাইন এলেও সেই চিরচেনা দৃশ্য আর চোখে পড়েনি। ঘুড়ির সংখ্যা যেমন কম ছিল, তেমনি উৎসবের সামগ্রিক আবহও ছিল অনেকটাই ম্লান।
২৭ মিনিট আগে