চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে গলায় জুতার মালা দিয়ে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দুজনকে বহিষ্কার করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি করছে দলটি।
আজ সোমবার রাতে জেলা ও উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বহিষ্কৃত দুই ব্যক্তিকে সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন—উপজেলা বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা গ্রামের মৃত আবদুল বারিকের ছেলে মো. আবুল হাশেম ও মৃত সফিকুর রহমানের ছেলে মো. ওহিদুর রহমান।
দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মু. শাহাজাহান ও সেক্রেটারি ড. সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, বিভিন্ন পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে লাঞ্ছিত করার ঘটনাটি জামায়াতের দৃষ্টি গোচর হয়। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছি।
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। জামায়াতে ইসলামী শুধু বীর মুক্তিযোদ্ধা নয়, দেশের সাধারণ কোনো নাগরিককেও হেনস্তার সমর্থন করে না। এটা একটি দুঃখজনক ঘটনা। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের হাতে সোপর্দ করার জন্য জামায়াত নেতৃবৃন্দ জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা জামায়াতের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নয়। জামায়াতে ইসলামীর কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া তারা কোনোভাবে সমর্থন করে না এবং প্রশ্রয় দেয় না।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমরা খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি, লাঞ্ছিত হওয়া আবদুল হাই কানু তাঁর নিজ এলাকায় হত্যাসহ ৯টি মামলার আসামি। আমরা মনে করি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
‘একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করছি এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও তাদের জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

বিএনপির বিক্ষোভ
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে লাঞ্ছিত ও এলাকা ছাড়া করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। আজ রাতে বিএনপির কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রদক্ষিণ করে।
পরে সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘আমরা কোনো দুষ্কৃতকারী এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রতিবাদ করছি না। আমাদের প্রতিবাদ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যারা অপমান করেছে, তাদের বিরুদ্ধে।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘এই মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যদি ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন না করতেন, তাহলে আমরা পেতাম না লাল-সবুজের পতাকা।’ তাঁরা দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুন নবী পাটোয়ারী নুরু, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন মামুন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে গলায় জুতার মালা দিয়ে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দুজনকে বহিষ্কার করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি করছে দলটি।
আজ সোমবার রাতে জেলা ও উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বহিষ্কৃত দুই ব্যক্তিকে সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন—উপজেলা বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা গ্রামের মৃত আবদুল বারিকের ছেলে মো. আবুল হাশেম ও মৃত সফিকুর রহমানের ছেলে মো. ওহিদুর রহমান।
দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মু. শাহাজাহান ও সেক্রেটারি ড. সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, বিভিন্ন পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে লাঞ্ছিত করার ঘটনাটি জামায়াতের দৃষ্টি গোচর হয়। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছি।
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। জামায়াতে ইসলামী শুধু বীর মুক্তিযোদ্ধা নয়, দেশের সাধারণ কোনো নাগরিককেও হেনস্তার সমর্থন করে না। এটা একটি দুঃখজনক ঘটনা। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের হাতে সোপর্দ করার জন্য জামায়াত নেতৃবৃন্দ জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা জামায়াতের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নয়। জামায়াতে ইসলামীর কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া তারা কোনোভাবে সমর্থন করে না এবং প্রশ্রয় দেয় না।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমরা খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি, লাঞ্ছিত হওয়া আবদুল হাই কানু তাঁর নিজ এলাকায় হত্যাসহ ৯টি মামলার আসামি। আমরা মনে করি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
‘একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করছি এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও তাদের জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

বিএনপির বিক্ষোভ
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে লাঞ্ছিত ও এলাকা ছাড়া করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। আজ রাতে বিএনপির কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রদক্ষিণ করে।
পরে সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘আমরা কোনো দুষ্কৃতকারী এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রতিবাদ করছি না। আমাদের প্রতিবাদ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যারা অপমান করেছে, তাদের বিরুদ্ধে।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘এই মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যদি ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন না করতেন, তাহলে আমরা পেতাম না লাল-সবুজের পতাকা।’ তাঁরা দোষী ব্যক্তিদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুন নবী পাটোয়ারী নুরু, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন মামুন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ে ছয়জনকে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনকে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া একজন সন্দেহভাজন সহযোগীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
গণভোট নিয়ে মাঠে কাজ করা দিনমজুর ও বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছে আজকের পত্রিকা। তাঁরা জানান, সাধারণ ভোটের বিষয়টি তাঁরা জানেন এবং আগেও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু গণভোট কী, এ সম্পর্কে তাঁদের কোনো ধারণা নেই।
৩৩ মিনিট আগে
সংঘর্ষের সময় একটি দোকান ও দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
চানন্দী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী করিম বাজার-দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
৩ ঘণ্টা আগে