আদালত প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় তাঁর দুই শিশু সন্তানকে তদন্তকারী কর্মকর্তার দপ্তরে সাক্ষ্য দিতে নিয়ে যাওয়ার আদেশ বাতিল চেয়ে রিভিশন মামলা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে আজ সোমবার রিভিশনটি করা হয়।
বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এক আদেশে বাবুলের দুই শিশুকে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন। এ আদেশ শিশু আইন পরিপন্থী। এ দুই শিশু তাদের দাদা আব্দুল ওয়াদুদ ও বাবুলের বর্তমান স্ত্রী ইশমত জাহান মুক্তার তত্ত্বাবধানে মাগুরা শহরের বাসায় বসবাস করে।
আবেদনে বলা হয়, দুই শিশুর সঙ্গে মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির উপস্থিতিতে কথা বলা হোক। সেখানে জেলা প্রবেশন অফিসারের উপস্থিতিতিও নিশ্চিত করতে হবে, অথবা এ দুজনের উপস্থিতিতে জেলা প্রবেশন অফিসারের কক্ষে শিশুদের সঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তা কথা বলুক।
আদালত রিভিশন গ্রহণ করেছেন, তবে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়নি বলে জানান বাবুলের আইনজীবী।
এদিকে গত ৬ মার্চ বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের করা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে দেওয়া নারাজি দরখাস্ত খারিজ করে দিয়েছিলেন আদালত। বাবুলের শ্বশুরের করা মামলায় গত ২৫ জানুয়ারি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) দেয় তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
২০১৬ সালের ৫ জুন মিতু খুন হন। পরদিন বাবুল নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তাঁর মামলায় গত বছরের ১২ মে পিবিআই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। একই দিন বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় বাবুলসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা করেন। পরে বাবুলের করা মামলায় ফাইনাল রিপোর্টের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৪ অক্টোবর আদালতে নারাজি দেওয়া হয়। ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ না করে আদালত ৩ নভেম্বর মামলাটি আবারও তদন্তের আদেশ দেন।

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় তাঁর দুই শিশু সন্তানকে তদন্তকারী কর্মকর্তার দপ্তরে সাক্ষ্য দিতে নিয়ে যাওয়ার আদেশ বাতিল চেয়ে রিভিশন মামলা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে আজ সোমবার রিভিশনটি করা হয়।
বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এক আদেশে বাবুলের দুই শিশুকে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন। এ আদেশ শিশু আইন পরিপন্থী। এ দুই শিশু তাদের দাদা আব্দুল ওয়াদুদ ও বাবুলের বর্তমান স্ত্রী ইশমত জাহান মুক্তার তত্ত্বাবধানে মাগুরা শহরের বাসায় বসবাস করে।
আবেদনে বলা হয়, দুই শিশুর সঙ্গে মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির উপস্থিতিতে কথা বলা হোক। সেখানে জেলা প্রবেশন অফিসারের উপস্থিতিতিও নিশ্চিত করতে হবে, অথবা এ দুজনের উপস্থিতিতে জেলা প্রবেশন অফিসারের কক্ষে শিশুদের সঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তা কথা বলুক।
আদালত রিভিশন গ্রহণ করেছেন, তবে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়নি বলে জানান বাবুলের আইনজীবী।
এদিকে গত ৬ মার্চ বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের করা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে দেওয়া নারাজি দরখাস্ত খারিজ করে দিয়েছিলেন আদালত। বাবুলের শ্বশুরের করা মামলায় গত ২৫ জানুয়ারি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) দেয় তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
২০১৬ সালের ৫ জুন মিতু খুন হন। পরদিন বাবুল নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। তাঁর মামলায় গত বছরের ১২ মে পিবিআই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। একই দিন বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় বাবুলসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা করেন। পরে বাবুলের করা মামলায় ফাইনাল রিপোর্টের বিরুদ্ধে গত বছরের ১৪ অক্টোবর আদালতে নারাজি দেওয়া হয়। ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ না করে আদালত ৩ নভেম্বর মামলাটি আবারও তদন্তের আদেশ দেন।

ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
৩৫ মিনিট আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে