কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি

টানা বর্ষণে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার লগগেট ও ঢাকাইয়া কলোনির প্রায় ৫০০ পরিবার পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা করছেন।
এই পরিস্থিতিতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে প্রচার ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১ জুন) ঢাকাইয়া কলোনির ১৪টি পরিবারের ৫০ জন সদস্য কাপ্তাই উচ্চবিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন বলে জানিয়েছেন কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ। আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জনপ্রতিনিধি, যুব রেড ক্রিসেন্ট দল ও কাপ্তাই তথ্য অফিসের সদস্যরা।
রোববার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ইউএনও ঢাকাইয়া কলোনি ও লগগেট এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষজনকে সচেতন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যুব রেড ক্রিসেন্টের দলনেতা আসিফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ ও সদস্য ইমান আলী।
ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, ‘এখন বৃষ্টির মৌসুম। যেকোনো সময় পাহাড় ধস হতে পারে। তাই আমরা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।’
চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ বলেন, ‘আগে থেকে অনুরোধ করার পরও অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘরে থাকছেন। অতীতে এ এলাকায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।’

ইউপি সদস্য ইমান আলী জানান, লকগেট ও ঢাকাইয়া কলোনিতে ৫০০ পরিবারের বসবাস। বেশির ভাগই পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে।
এদিকে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন তালুকদারের নির্দেশনায় কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

টানা বর্ষণে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার লগগেট ও ঢাকাইয়া কলোনির প্রায় ৫০০ পরিবার পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা করছেন।
এই পরিস্থিতিতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে প্রচার ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১ জুন) ঢাকাইয়া কলোনির ১৪টি পরিবারের ৫০ জন সদস্য কাপ্তাই উচ্চবিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন বলে জানিয়েছেন কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ। আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জনপ্রতিনিধি, যুব রেড ক্রিসেন্ট দল ও কাপ্তাই তথ্য অফিসের সদস্যরা।
রোববার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ইউএনও ঢাকাইয়া কলোনি ও লগগেট এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষজনকে সচেতন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যুব রেড ক্রিসেন্টের দলনেতা আসিফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ ও সদস্য ইমান আলী।
ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, ‘এখন বৃষ্টির মৌসুম। যেকোনো সময় পাহাড় ধস হতে পারে। তাই আমরা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।’
চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ বলেন, ‘আগে থেকে অনুরোধ করার পরও অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘরে থাকছেন। অতীতে এ এলাকায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।’

ইউপি সদস্য ইমান আলী জানান, লকগেট ও ঢাকাইয়া কলোনিতে ৫০০ পরিবারের বসবাস। বেশির ভাগই পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে।
এদিকে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন তালুকদারের নির্দেশনায় কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৬ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে