
চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানগুলো এখন শুধু ফলনের নয়, মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। চলনৌকাবাইচেতি মৌসুমে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১১ জন, যাদের মধ্যে ৯ জনই আম সংগ্রহ কিংবা ঝড়ে পড়া আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতের শিকার হয়েছেন।

২০১৭ সালের ১৩ জুন। রাঙামাটির কাপ্তাইবাসীর জন্য এটি ছিল এক বিভীষিকাময় দিন। আগের দিন মধ্যরাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। টানা বর্ষণে তখন ঘরবন্দী মানুষ। সকালে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে থাকে পাহাড়ধসে হতাহতের মৃত্যুর খবর। ওই দিনের পাহাড়ধসে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় প্রাণ হারায় ১৮ জন।

ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে। আমাদের জরিপে এসেছে ডেঙ্গুর জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৩টি ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া ২৮টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।’

বাগেরহাটে মেয়াদ শেষ হলেও সদর উপজেলার পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী ব্রিজের কাজ শেষ করতে পারেননি ঠিকাদার। ফলে আগের ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের পুল দিয়েই পারাপার হতে হচ্ছে। এদিকে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।