Ajker Patrika

চট্টগ্রামে যুবদল নেতা হত্যায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬, ১৯: ২৮
চট্টগ্রামে যুবদল নেতা হত্যায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা
নিহত যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক মাসুদ চৌধুরী (৪৫) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও নগরীর বিভিন্ন থানায় ১২টি হত্যাসহ মোট ২৪টি মামলার আসামি কিলার মোহাম্মদ রায়হানসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে রাউজান থানায় এই মামলা করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাউজান থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। নিহত রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক মাসুদ চৌধুরীর ভাই ও রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহাম্মদ বেলায়াত হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৩ জুন) বেলা দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারের ‘আশরাফিয়া ফার্মেসি’ নামের একটি ওষুধের দোকানের সামনে মাকসুদুল হক মাসুদ চৌধুরীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিহত মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পাঁচজন অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করে পুলিশ।

এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের ভাইয়ের দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে সব আসামিকে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। ঘটনার পর গ্রেপ্তার হওয়া সন্দেহভাজন মুহাম্মদ জাকের মিয়াকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লিখিত হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া অস্ত্রধারী ব্যক্তিরা হলেন রাউজানের কদলপুরের মোহাম্মদ ইলিয়াস ওরফে ধামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম ওরফে দিদার, রাউজান পৌরসভার ফরেস্ট অফিস এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ, রাউজান সদর ইউনিয়নের পূর্ব রাউজান এলাকার মোহাম্মদ জাহেদ ও মোহাম্মদ আবছার।

তাঁদের মধ্যে ইলিয়াস ও দিদারুল প্রথমে মাসুদকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে ইউসুফ, জাহেদ ও আবছার দৌড়ে গিয়ে তাঁকে লক্ষ্য করে আরও কয়েকটি গুলি ছুড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

এসব অস্ত্রধারী মোহাম্মদ রায়হানের অনুসারী বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে এজাহারের অন্য আসামিদের নাম-ঠিকানা দিতে চায়নি পুলিশ।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত