Ajker Patrika

চট্টগ্রামে ৩৫ সোনার বার ছিনতাই: চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯: ২৬
আজ বিকালে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
আজ বিকালে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে হামজারবাগ এলাকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩৫টি (৩৫০ ভরি) সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশের চাকরিচ্যুত এক সদস্য, তাঁর স্ত্রীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ছিনতাই করা ২৯টি (২৯০ ভরি) সোনার বার ও ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

উদ্ধার করা ২৯টি সোনার বার। ছবি: সংগৃহীত
উদ্ধার করা ২৯টি সোনার বার। ছবি: সংগৃহীত

গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ও আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালিসহ রাজধানী ঢাকার কাশিমপুর ও রায়েরবাজারে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে নগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ও পাঁচলাইশ থানা-পুলিশ। আজ বেলা ৩টায় নগরের পাঁচলাইশ থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় পুলিশ।

গ্রেপ্তার ছয় ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তার ছয় ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পুলিশের চাকরিচ্যুত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুমন চন্দ্র দাস (৪২), তাঁর স্ত্রী পান্না রানী দাস ওরফে দিপালী রানী দাস (৩৮), মাসুদ রানা ওরফে বাইক বাবু (৩০), রফিকুল ইসলাম ওরফে ইমন (২২), রবি কুমার দাস (৪০) ও বিবেক বনিক (৪২)। বিবেক বনিক হাজারী গলির স্বর্ণ ব্যবসায়ী।

এর আগে ৪ জানুয়ারি বিকেলে পাঁচলাইশ থানাধীন হামজারবাগ এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৩৫টি সোনার বার ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার দুর্বৃত্ত। ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া যাত্রীরা মূলত হাজারী গলিতে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কর্মচারী হিসেবে ওই সোনার বারগুলো নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় পরদিন পাঁচলাইশ থানায় সুমন দেবনাথ নামের একজন কর্মচারী বাদী হয়ে মামলা করেন।

উপকমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘবদ্ধ চক্রটি অত্যন্ত দুর্ধর্ষ বলে আমরা জানতে পারি। তারা অতীতেও এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে লিপ্ত ছিল। তাদের মধ্যে সুমন নামে যাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি আগে এএসআই হিসেবে খুলশী থানায় কর্মরত ছিলেন। তাঁকে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানাধীন মাধবপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

উপকমিশনার বলেন, সুমনের স্বভাবগত অপরাধজনিত কারণে বাংলাদেশ পুলিশ বিধি মোতাবেক তাঁকে চাকরিচ্যুত করেছিল। চাকরিচ্যুতির পরও সুমন একের পর এক এ ধরনের অপরাধ করে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় এএসআই সুমনের স্ত্রী পান্না রানী দাসকেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সাবেক পুলিশ সদস্যের এই স্ত্রী মূলত সোনার বারগুলো নিজের জিম্মায় রেখেছিলেন এবং ছিনতাই করা সোনার খবর গোপন রাখার চেষ্টা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আইসিসি থেকে বিসিবি বছরে আসলে কত টাকা পায়

ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটে ইরান, বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পতুষ্টি করছে বললেন খামেনি

ছয়জনের লিফটে বরসহ ১০ জন উঠে আটকা, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় উদ্ধার

‘রাতারাতি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম জাপান—চীনের বিস্ফোরক দাবি

‘নির্বাচন কমিশন ধানের শীষ দিলেও আপত্তি নেই’

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত