আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীন একটি সরকারি প্রতিবেদনে দাবি করেছে, জাপান খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সক্ষমতা রাখে এবং গোপনে অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম উৎপাদনও করে থাকতে পারে। ৩০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, জাপানের তথাকথিত ‘পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ ঠেকাতে যেন ‘দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ’ নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’ জানিয়েছে, চীন সরকারের ওই প্রতিবেদনটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের একটি বক্তব্যও উদ্ধৃত করা হয়েছে। ২০১৬ সালের জুনে মার্কিন পাবলিক ব্রডকাস্টিং সার্ভিসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই বক্তব্যটি দিয়েছিলেন বাইডেন। জানিয়েছিলেন, তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে বলেছেন—জাপানের এমন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা রয়েছে যে তারা ‘প্রায় রাতারাতি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে। তবে সেই সময় চীন সরকার প্রকাশ্যে বাইডেনের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
‘জাপানের ডানপন্থী শক্তিগুলোর পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা: বিশ্বশান্তির জন্য একটি গুরুতর হুমকি’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি যৌথভাবে প্রণয়ন করেছে চায়না আর্মস কন্ট্রোল অ্যান্ড ডিসআরমামেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিএসিডিএ) এবং চায়না ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার করপোরেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এতে দাবি করা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই জাপান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণার চেষ্টা চালিয়েছে এবং পরবর্তীতে একটি পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক জ্বালানি চক্র ও শক্তিশালী পারমাণবিক শিল্প সক্ষমতা গড়ে তুলেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী—জাপানই একমাত্র অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র, যারা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর আওতায় থেকেও ব্যবহৃত জ্বালানি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের প্রযুক্তি ও অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম আহরণের সক্ষমতা রাখে। জাপানের জোইয়ো পরীক্ষামূলক ফাস্ট রিঅ্যাক্টর থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্লুটোনিয়াম উৎপাদনের সম্ভাবনার কথাও এতে তুলে ধরা হয়েছে। গ্রিনপিস-এর ১৯৯৪ সালের এক গবেষণার বরাত দিয়ে বলা হয়, জাপান প্রায় ৪০ কেজি অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করে থাকতে পারে।
চীন দাবি করেছে, জাপানের কাছে বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি প্লুটোনিয়াম মজুত রয়েছে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে। পাশাপাশি জাপানের কাছে এমন সামরিক প্ল্যাটফর্মও আছে, যেগুলো ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম হতে পারে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই প্রতিবেদন জাপানের ডানপন্থী শক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য উন্মোচন করেছে। এর মধ্যেই বেইজিং জাপানি সামরিক সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীদের কাছে ‘ডুয়েল-ইউজ’ পণ্যের রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

চীন একটি সরকারি প্রতিবেদনে দাবি করেছে, জাপান খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সক্ষমতা রাখে এবং গোপনে অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম উৎপাদনও করে থাকতে পারে। ৩০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, জাপানের তথাকথিত ‘পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ ঠেকাতে যেন ‘দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ’ নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’ জানিয়েছে, চীন সরকারের ওই প্রতিবেদনটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের একটি বক্তব্যও উদ্ধৃত করা হয়েছে। ২০১৬ সালের জুনে মার্কিন পাবলিক ব্রডকাস্টিং সার্ভিসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই বক্তব্যটি দিয়েছিলেন বাইডেন। জানিয়েছিলেন, তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে বলেছেন—জাপানের এমন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা রয়েছে যে তারা ‘প্রায় রাতারাতি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে। তবে সেই সময় চীন সরকার প্রকাশ্যে বাইডেনের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
‘জাপানের ডানপন্থী শক্তিগুলোর পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা: বিশ্বশান্তির জন্য একটি গুরুতর হুমকি’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি যৌথভাবে প্রণয়ন করেছে চায়না আর্মস কন্ট্রোল অ্যান্ড ডিসআরমামেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিএসিডিএ) এবং চায়না ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার করপোরেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এতে দাবি করা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই জাপান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণার চেষ্টা চালিয়েছে এবং পরবর্তীতে একটি পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক জ্বালানি চক্র ও শক্তিশালী পারমাণবিক শিল্প সক্ষমতা গড়ে তুলেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী—জাপানই একমাত্র অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র, যারা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর আওতায় থেকেও ব্যবহৃত জ্বালানি পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের প্রযুক্তি ও অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম আহরণের সক্ষমতা রাখে। জাপানের জোইয়ো পরীক্ষামূলক ফাস্ট রিঅ্যাক্টর থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্লুটোনিয়াম উৎপাদনের সম্ভাবনার কথাও এতে তুলে ধরা হয়েছে। গ্রিনপিস-এর ১৯৯৪ সালের এক গবেষণার বরাত দিয়ে বলা হয়, জাপান প্রায় ৪০ কেজি অস্ত্রমানের প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করে থাকতে পারে।
চীন দাবি করেছে, জাপানের কাছে বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি প্লুটোনিয়াম মজুত রয়েছে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে। পাশাপাশি জাপানের কাছে এমন সামরিক প্ল্যাটফর্মও আছে, যেগুলো ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম হতে পারে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই প্রতিবেদন জাপানের ডানপন্থী শক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য উন্মোচন করেছে। এর মধ্যেই বেইজিং জাপানি সামরিক সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীদের কাছে ‘ডুয়েল-ইউজ’ পণ্যের রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৭ ঘণ্টা আগে