
ভোটের মাঠে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তাদের অস্তিত্ব থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ সোমবার চট্টগ্রাম-১১ আসনে (বন্দর-পতেঙ্গা) ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নগরীর লাভলেইনে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমাদান শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘যে ত্যাগের বিনিময়ে আমরা নির্বাচনী ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছি, গণতন্ত্র উত্তরণের পথে যাচ্ছে; যে ত্যাগের বিনিময়ে এসব অর্জন হয়েছে, সেখানে কোনো ষড়যন্ত্র নির্বাচনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।
‘গণতান্ত্রিক ভোট, সংসদ ও সরকার—এটা এখন বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা। এই আকাঙ্ক্ষার মাঝে যারা আসবে, তাদের অস্তিত্ব থাকবে না।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ নেতা বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের জন্য একটা আনন্দের দিন। বিগত ১৫, ১৬, ১৭ বছর ধরে মানুষ যে ত্যাগ স্বীকার করেছে; তারা জীবন দিয়েছে, গুম হয়েছে, খুন হয়েছে, মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে, চাকরি হারিয়েছে, ব্যবসা হারিয়েছে, নিঃস্ব হয়ে গেছে।
‘আজ বহু বছর পর বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি। অনেক ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে অধিকার পেয়েছি। বাংলাদেশের মানুষ তার মালিকানা ফিরে পেয়েছে, এটা আজ আনন্দের দিন। আমরা আজ গণতন্ত্রের দিকে যাচ্ছি, গণতান্ত্রিক অর্ডার ফিরে পাওয়ার দিকে যাচ্ছি। এই দিনটা সকলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
আমীর খসরু আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদ করবে, নির্বাচিত সরকার গঠন করবে। যে সরকার জনগণের কাছে, যে সংসদ জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সবাইকে জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এর বাইরে অন্য কোনো পথ নেই। পথ একটাই, জনগণের ওপর আস্থা রাখতে হবে, নাগরিকের ওপর আস্থা রাখতে হবে এবং তাদের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে আগামীর বাংলাদেশে চলতে হবে।
‘এটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র, এটা আমাদের বিশ্বাস করতে হবে। একে অপরের প্রতি সহনশীল হতে হবে। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে দিতে হবে। অপরের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেও আমাদের তার মতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে, সম্মান জানাতে হবে। একটা সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমাদের চালু করতে হবে।’
প্রতিটি দলের নির্বাচনী কৌশলকে বিএনপি সম্মান করে জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘সবার অধিকারকে আমরা স্বাগত জানাই। বাংলাদেশের মানুষ দিন শেষে সিদ্ধান্ত নেবে। কাদের মাধ্যমে এ দেশে গণতন্ত্র আগে ফিরে এসেছিল, বিগত দিনে একদলীয় শাসনের পরে, এরশাদের সময় এবং বিগত এক-এগারোর পরে দীর্ঘ সময় আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কাদের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, বাংলাদেশের মানুষের কাছে তো অজানা নেই।
‘আজ বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা হচ্ছে, গণতন্ত্র ফিরে পাওয়া। সুতরাং, কোন দলের মাধ্যমে বারবার গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, কারা গণতন্ত্রের চর্চা ব্যাহত করেছে আর কারা গণতন্ত্রের জন্য সবকিছু বিসর্জন দিতে রাজি আছে—বাংলাদেশের মানুষের কিছুই অজানা নেই।’
জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে গতকাল রোববার চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এর আগে তাঁকে চট্টগ্রাম-১০ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে সেটি পরিবর্তন করে ওই আসনে দলটির প্রয়াত নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

গত ১৫ মার্চ চট্টগ্রামের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস এম কায়সার আলীকে খুলনার আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে বদলি করা হয়। গত সোমবার (৩০ মার্চ) ছিল তাঁর শেষ কর্মদিবস। ওই দিন দায়িত্ব ছাড়ার আগে তিনি ১৪ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) হিসেবে পদায়নের আদেশ দেন।
২৪ মিনিট আগে
রাজধানীর গুলশানে সাবেক প্রেমিকা ও ছোট পর্দার এক অভিনেত্রী ও ইডেন কলেজের শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে করা মামলায় তরুণ গায়ক আবু জাহিদ ওরফে জাহিদ অন্তুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, ‘তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করানো হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।’
১ ঘণ্টা আগে
অভিযানে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘যেহেতু আমি নিজের ব্যানার খুলে ফেলেছি, কাজেই অন্যদের ব্যানারও অবশ্যই খুলে ফেলা হবে। যাঁরা ব্যানার লাগিয়েছেন, তাঁরা যদি নিজেরাই নিজেদের ব্যানার খুলতে পারেন, তাহলে আরও অনেক ভালো হবে এবং এটা আমাদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’
১ ঘণ্টা আগে