
ছোট পর্দার মডেল ও অভিনেত্রী সিমরিন লুবাবার বিয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকে আইন অমান্য করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে নারী অধিকারভিত্তিক সংগঠন নারীপক্ষ। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ তুলে ধরে এই বিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় সংগঠনটি।
সংগঠনের আন্দোলন সম্পাদক গীতা দাস বলেন, মাত্র ১৫ বছর বয়সে লুবাবার বিয়ে হওয়ার বিষয়টি যদি সত্য হয়, তবে এটি স্পষ্টতই বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী।
বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়—এই বিয়ে কোথায় এবং কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে, কে বা কারা আয়োজন করেছে, বিয়েটি নিবন্ধিত হয়েছে কি না, নিবন্ধনকারী কে, আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না, এবং অভিভাবক ও সাক্ষীদের ভূমিকা কী ছিল।
নারীপক্ষ বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশের বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন অনুযায়ী মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। এর নিচে বিয়ে হলে তা বাল্যবিয়ে হিসেবে গণ্য হয় এবং এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। বাল্যবিয়ের আয়োজন, অনুমোদন বা নিবন্ধনের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে, বিশেষ ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ও অভিভাবকের সম্মতিতে ১৮ বছরের নিচে বিয়ের সুযোগ থাকলেও এর জন্য কঠোর শর্ত পূরণ করতে হয়। লুবাবার ক্ষেত্রে সেই শর্ত মানা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, একটি বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পেছনে একাধিক পক্ষ জড়িত থাকে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকেই আইন অমান্য করে থাকতে পারেন।
এ পরিস্থিতিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বিচার বিভাগের প্রতি দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে নারীপক্ষ। অন্যথায় নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংগঠনটি।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৩ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
৩ ঘণ্টা আগে