
রাঙামাটির জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৬ হাজার ৬১৬ টুকরো চোরাই সেগুন কাঠ ও পরিত্যক্ত একটি বন্দুক জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা কাঠের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জুরাছড়ি জোনের ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক মেজর মো. এহতে শামুল হকের নেতৃত্বে উপজেলার মৈদং ইউনিয়নের মন্দিরাছড়া ও কাঠালতুলী এলাকা থেকে এসব কাঠ জব্দ করা হয়। এ সময় কাঠ পাচারকারীদের ব্যবহার করা পরিত্যক্ত একটি দেশি গাদাবন্দুক ও বন বিভাগের সিল জব্দ করা হয়।
মন্দিরাছড়া পাড়ার শিক্ষক অনিল চাকমা, স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য রহিনী কুমার চাকমা ও কারবারি বিমল কান্তি চাকমা আজকের পত্রিকাকে জানান, সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল চোরাই কাঠ জব্দ করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান বন উজাড় বন্ধে সাহায্য করবে।
জোনের ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক মেজর মো. এহতে শামুল হক বলেন, জব্দ করা কাঠ বন বিভাগে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয় ও সেনা সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ কাঠ পাচারকারীরা নির্বিচারে গাছ কাটায় পাহাড় অনেকটাই বৃক্ষহীন হয়ে পড়ছে। বনের পশুপাখি হারাচ্ছে থাকার জায়গা। গাছ কাটার ফলে পাহাড় ধসের সৃষ্টি হচ্ছে ও নিরাপদ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৫ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৭ ঘণ্টা আগে