
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ৭৫ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের প্রায় সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বহিষ্কার তালিকায় আছেন এমবিবিএস ও ইন্টার্ন শেষ করা চিকিৎসকও।
কলেজ ক্যাম্পাস ও ছাত্রাবাসের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও ছাত্র রাজনীতির নাম ভাঙিয়ে একক কর্তৃত্ব, গোষ্ঠীগত আধিপত্য এবং ব্যক্তিগত হিরোইজম প্রদর্শন, ছাত্রাবাসে অবৈধ অনুপ্রবেশ, অবৈধভাবে রুম দখল, অঙ্গীকার ভঙ্গসহ কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট, মারধর ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের একাডেমি কাউন্সিলের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান চমেকের অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন।
আজ সোমবার মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দীন বহিষ্কার আদেশ সই করেন।
এতে ৭৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জনকে দুই বছর, ১৫ জনকে ১ বছর ৬ মাস, ৩৭ জনকে ১ বছর ও ১৬ জনকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
মেডিকেল কলেজ সূত্র জানিয়েছে, বহিষ্কার তালিকায় ১৭ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক আছে। তালিকায় এক নম্বরে থাকা এমবিবিএস ৫৯ ব্যাচের মুশফিকুন ইসলাম চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের শিশু সার্জারির বিভাগের মেডিকেল অফিসার। এ ছাড়া ১১ জনের কাছ থেকে অভিভাবক ও শিক্ষার্থী নিজে মুচলেকায় অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনের বারান্দার একটি কক্ষের গ্রিল ভেঙে পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়েছেন আসামি হাসিনা বেগম। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক এসআই ও এক কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে পুলিশ।
৯ মিনিট আগে
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ৮১ লাখ ২১ হাজার ১৮৬ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু চালুর পর মাস না পেরোতেই গাইড ওয়াল ভেঙে একাংশ দেবে গেছে। টানা বৃষ্টিতে উপজেলার আরও কয়েকটি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে সদর-বাটনাতলী ইউনিয়ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় একটি পাগলা কুকুরের অতর্কিত হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার রথখোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২০ মিনিট আগে
৬ জুলাই টানা ভারী বর্ষণ, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকির কারণে জেলা প্রশাসন প্রথম দফায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছিল। পরবর্তীতে বৈরী আবহাওয়া ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় সেই মেয়াদ আরও বাড়িয়ে ১২ জুলাই করা হয়।
৩৪ মিনিট আগে