চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের বাঘড়া বাজারে আগুন লেগে ১২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স চাঁদপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘চাঁদপুর-রায়পুর সড়কের পাশে বাঘড়া বাজার সম্মুখের একটি মার্কেটে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুনের সূত্রপাত জানা যায়নি।’
আজ বুধবার ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা অনেকেই কান্নাকাটি করছেন। দোকানের পুড়ে যাওয়া জিনিসগুলো তারা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখছেন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কিছুই অক্ষত নেই।
আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো মার্কেটের পশ্চিম দিকের আলমগীরের ভ্যানগাড়ির গ্যারেজ, মো. মোছার মোটরবাইকের গ্যারেজ, হাসানের সাইকেলের দোকান, গণি মিজির চায়ের দোকান, সুমন মিয়ার খাবারের হোটেল, নান্নু বহরদারের জ্বালানি তেলের দোকান, অহিদ মিয়ার ডেকোরেটর দোকান, মানসুর মেম্বারের রড-সিমেন্টের দোকান, রবিন্দ্র কর্মকারের কামারের দোকান এবং বারেক গাজী, মমিন মিয়া ও নজরুল ইসলামের রড-সিমেন্টের দোকান।
স্থানীয়রা জানান, রাত আড়াইটা থেকে পৌনে ৩টার মধ্যে আগুন লাগে। সড়কের পাশে হওয়ায় আগুন তাৎক্ষণিক লোকজনের নজরে আসে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফরিদগঞ্জ ও চাঁদপুরের ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। একই সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ। আগুনে বেশি জিনিসপত্র পুড়েছে অহিদ মিয়ার ডেকোরেটর দোকানে। তিনি সম্প্রতি সময় দোকানের সব আসবাবপত্র নতুন করে কিনেছেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের অসহায়ত্বের কথা জানালেন ক্ষতিগ্রস্ত চা-দোকানদার গণি মিজি। তিনি বলেন, ‘আমার আর কিছু নেই। আট মাস আগে একই বাজারের ভেতরে আমার চা-দোকান আগুনে পুড়ে যায়। সেখান থেকে এসে এখানে আবার দোকান শুরু করি। এখানেও আমার সব শেষ হয়ে গেল। বোনদের কাছ থেকে টাকা ঋণ করে মালপত্র কিনেছি। পরিবারের সাত সদস্যের সংসার এখন কীভাবে চলবে?’
ক্ষতিগ্রস্ত রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত ৩টার দিকে তাঁর পাশের ব্যবসায়ী নান্নু বহরদার তাঁকে ফোন করে জানান দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। এসে দেখেন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। তাঁর দোকানে থাকা মালামালসহ প্রায় ১৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স চাঁদপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ শুরু করি। আমাদের দুটি ও ফরিদগঞ্জের দুটিসহ চারটি ইউনিট একসঙ্গে কাজ করে আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।’
মোহাম্মদ মোরশেদ আরও বলেন, ‘কাজ শেষে আজ ভোর ৫টার দিকে আমরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করি। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। তবে ওই মার্কেটের ১২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়েছে।’

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের বাঘড়া বাজারে আগুন লেগে ১২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স চাঁদপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘চাঁদপুর-রায়পুর সড়কের পাশে বাঘড়া বাজার সম্মুখের একটি মার্কেটে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুনের সূত্রপাত জানা যায়নি।’
আজ বুধবার ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা অনেকেই কান্নাকাটি করছেন। দোকানের পুড়ে যাওয়া জিনিসগুলো তারা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখছেন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কিছুই অক্ষত নেই।
আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো মার্কেটের পশ্চিম দিকের আলমগীরের ভ্যানগাড়ির গ্যারেজ, মো. মোছার মোটরবাইকের গ্যারেজ, হাসানের সাইকেলের দোকান, গণি মিজির চায়ের দোকান, সুমন মিয়ার খাবারের হোটেল, নান্নু বহরদারের জ্বালানি তেলের দোকান, অহিদ মিয়ার ডেকোরেটর দোকান, মানসুর মেম্বারের রড-সিমেন্টের দোকান, রবিন্দ্র কর্মকারের কামারের দোকান এবং বারেক গাজী, মমিন মিয়া ও নজরুল ইসলামের রড-সিমেন্টের দোকান।
স্থানীয়রা জানান, রাত আড়াইটা থেকে পৌনে ৩টার মধ্যে আগুন লাগে। সড়কের পাশে হওয়ায় আগুন তাৎক্ষণিক লোকজনের নজরে আসে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফরিদগঞ্জ ও চাঁদপুরের ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। একই সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ। আগুনে বেশি জিনিসপত্র পুড়েছে অহিদ মিয়ার ডেকোরেটর দোকানে। তিনি সম্প্রতি সময় দোকানের সব আসবাবপত্র নতুন করে কিনেছেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের অসহায়ত্বের কথা জানালেন ক্ষতিগ্রস্ত চা-দোকানদার গণি মিজি। তিনি বলেন, ‘আমার আর কিছু নেই। আট মাস আগে একই বাজারের ভেতরে আমার চা-দোকান আগুনে পুড়ে যায়। সেখান থেকে এসে এখানে আবার দোকান শুরু করি। এখানেও আমার সব শেষ হয়ে গেল। বোনদের কাছ থেকে টাকা ঋণ করে মালপত্র কিনেছি। পরিবারের সাত সদস্যের সংসার এখন কীভাবে চলবে?’
ক্ষতিগ্রস্ত রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত ৩টার দিকে তাঁর পাশের ব্যবসায়ী নান্নু বহরদার তাঁকে ফোন করে জানান দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। এসে দেখেন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। তাঁর দোকানে থাকা মালামালসহ প্রায় ১৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স চাঁদপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ শুরু করি। আমাদের দুটি ও ফরিদগঞ্জের দুটিসহ চারটি ইউনিট একসঙ্গে কাজ করে আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।’
মোহাম্মদ মোরশেদ আরও বলেন, ‘কাজ শেষে আজ ভোর ৫টার দিকে আমরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করি। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। তবে ওই মার্কেটের ১২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে