চাঁদপুর প্রতিনিধি

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশের যাত্রায় রাজনীতিকেও স্মার্ট হতে হবে। স্মার্ট রাজনীতির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে। আজ শুক্রবার সকালে দুই দিনের সফরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে এসে পৌঁছালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো পাঠ্যপুস্তক পায়নি, তারা ওয়েবসাইট থেকে সহায়তা নিতে পারবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২৫ জানুয়ারির মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই পৌঁছানোর কথা। বই না পাওয়ার কোনো কারণ নেই। যদি কোথাও পৌঁছাতে দেরি হয়ে থাকে, অবশ্যই আমি তা দেখব। তবে সবাইকে বলব, আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিটি বই দেওয়া আছে, কোথাও যদি কোনো ব্যত্যয় ঘটেও থাকে, তাহলে ওয়েবসাইট থেকে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে শিক্ষকেরা সহায়তা নিয়ে পাঠদান করতে পারবেন।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির ব্যবহার একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও হচ্ছে। দেশের যাতায়াত ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে। প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ, প্রতিটি মানুষের হাতে মোবাইল। সত্যিই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করেছি। স্মার্ট রাজনীতির ক্ষেত্রে মানুষ ও দেশ সবার আগে এবং সেখানে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, মানুষকে বিভ্রান্ত করা, মানুষকে পুড়িয়ে মারা— এগুলো কখনো স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট রাজনীতির অংশ হতে পারে না। মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মের ভিত্তিতে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করা এবং কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে, অন্যেরা অর্থবিত্তের পাহাড় গড়ে তুলবে, স্মার্ট রাজনীতি এগুলো হতে দেবে না।’
এ সময় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন, মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা শাহনাজসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশের যাত্রায় রাজনীতিকেও স্মার্ট হতে হবে। স্মার্ট রাজনীতির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে। আজ শুক্রবার সকালে দুই দিনের সফরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে এসে পৌঁছালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো পাঠ্যপুস্তক পায়নি, তারা ওয়েবসাইট থেকে সহায়তা নিতে পারবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২৫ জানুয়ারির মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই পৌঁছানোর কথা। বই না পাওয়ার কোনো কারণ নেই। যদি কোথাও পৌঁছাতে দেরি হয়ে থাকে, অবশ্যই আমি তা দেখব। তবে সবাইকে বলব, আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিটি বই দেওয়া আছে, কোথাও যদি কোনো ব্যত্যয় ঘটেও থাকে, তাহলে ওয়েবসাইট থেকে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে শিক্ষকেরা সহায়তা নিয়ে পাঠদান করতে পারবেন।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির ব্যবহার একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও হচ্ছে। দেশের যাতায়াত ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে। প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ, প্রতিটি মানুষের হাতে মোবাইল। সত্যিই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করেছি। স্মার্ট রাজনীতির ক্ষেত্রে মানুষ ও দেশ সবার আগে এবং সেখানে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, মানুষকে বিভ্রান্ত করা, মানুষকে পুড়িয়ে মারা— এগুলো কখনো স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট রাজনীতির অংশ হতে পারে না। মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মের ভিত্তিতে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করা এবং কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে, অন্যেরা অর্থবিত্তের পাহাড় গড়ে তুলবে, স্মার্ট রাজনীতি এগুলো হতে দেবে না।’
এ সময় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন, মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা শাহনাজসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে