
দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপাকে...

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার এক মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে ও একই থানার দুটি মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্

চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা-বিল ডাকাতিয়ায় গত ১৫ বছরে অনেক পানি গড়ালেও জেলার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেছেন একজনই। তিনি ডা. দীপু মনি। টানা চারবারের সংসদ সদস্য, তিন দফায় মন্ত্রিত্ব ও ক্ষমতার শীর্ষ ব্যক্তির সুনজরের সুবাদে চাঁদপুরকে করে নিয়েছিলেন নিজের সাম্রাজ্য। যার দেখভাল করতেন তাঁর বড় ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক মন্ত্রী ও চাঁদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দীপু মনির বিরুদ্ধে তিন মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় তাঁকে আজ বুধবার গ্রেপ্তার দেখাতে চাঁদপুর আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি থাকলেও শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। আইনজীবীসহ ভুক্তভোগীরা বলছেন, বিএনপি-জামায়াতের ন