বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায়িত করে তাঁকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে মিছিল সমাবেশ করার অভিযোগে সোনাতলা উপজেলায় দুই যুবদল নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শামিম হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম। জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শামিম হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালামকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা দলীয় সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান বলেন, ৮ নভেম্বর বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপি থেকে ঘোষিত সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্লোগান ও মিছিল সমাবেশ করা হয় শামিম হোসেন ও আব্দুস সালামের নেতৃত্বে। এ বিষয়ে প্রমাণসহ অভিযোগ উঠলে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
জানতে চাইলে অব্যাহতি পাওয়া যুবদল নেতা শামিম হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, সে বিষয়ে কিছু জানি না। আমাকে অব্যাহতি দেওয়ার আগে কৈফিয়ত তলব করা হয়নি।’
শামিম আরও বলেন, ‘আমার নামে ১২ থেকে ১৪টি মামলা। গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর বিএনপিতে নতুন নতুন নেতার আবির্ভাব হয়েছে। আমাকে যুবদল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও আমি ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক পদে আছি। এ কারণে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাধা নেই।’

অভিযোগ রয়েছে, সুজন রিয়াজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এতে রিয়াজের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
১৭ মিনিট আগে
সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রত্যেকটা নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২৬ মিনিট আগে
এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের মোট ভোটের মাত্র ২ হাজার ৯০৬টি পেয়েছেন, যা প্রদত্ত ভোটের তুলনায় খুবই কম। ফলে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এনসিপি প্রার্থী মোট ভোটারের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ ভোট পান।
৩২ মিনিট আগে
সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের মাত্র একটিতেও জিততে পারেনি জামায়াতে ইসলাম। তবে দলটির নেতৃত্বধীন ১১ দলীয় জোটের খেলাফতে মজলিস পয়েছে একটি আসন। আর বাকি ১৮টি আসনই জিতেছে বিএনপি।
৪১ মিনিট আগে