পটুয়াখালী প্রতিনিধি

আইন পরিবর্তন করে হলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা। দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়েছে বিরোধী গ্রুপ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবি জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার। অবশ্য চাপের মুখে পড়ে সেই স্ট্যাটাস তিনি সরিয়ে নেন।
এদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত আসার আগেই সভা-সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর বলে বেড়াচ্ছেন, আবদুল মোতালেব আর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নন।
সভাপতির এই বক্তব্যের পর আবদুল মোতালেবের দলীয় প্রতিপক্ষ সংসদ সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজের অনুসারীরা আনিচুর রহমান নামে এক নেতাকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বলে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এ নিয়ে দুই দিন ধরে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
গতকাল শনিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে উপজেলা সদরের আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনের সামনে আ স ম ফিরোজের অনুসারীরা শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে। ওই সভায় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর।
সমাবেশে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে নিয়ে আবদুল মোতালেব যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সংগঠন পরিপন্থী কাজ। এ কারণে তাঁকে (আবদুল মোতালেব) দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এখন থেকে তিনি আর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী আলমগীর বলেন, ‘মোতালেবকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছি, তাই তাঁর আর দায়িত্ব নেই। শান্তি সমাবেশে ফিরোজ ভাই বলেছিল, আনিচুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দিতে। কিন্তু আমি দিইনি। ফিরোজ ভাইকে বলেছি, কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে আপনি কমিটি নিয়ে আসেন।’
জেলা সভাপতির এমন বক্তব্যের বিষয়ে আবদুল মোতালেব হাওলাদার বলেন, ‘শিশুকাল থেকে এই সংগঠন করি। এ কারণেই উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, যুবলীগের সভাপতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। পরপর তিনবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই আওয়ামী লীগ করার কারণে বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় আমি ও আমার শিশুসন্তানের ৬৭ বছর সাজা হয়। কারাগারে থাকাকালীন আমার একমাত্র মেয়ের স্বামীকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তবে দলও আমাকে অনেক দিয়েছে। দলের কারণেই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং বড় ছেলে হাসান মাহামুদ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হয়েছে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় ওই স্ট্যাটাস দিইনি। পরবর্তী সময় যখন বুঝেছি, এটা দেওয়া ঠিক হয়নি, তখন ওই স্ট্যাটাস মুছে ফেলেছি। এ বিষয়ে শোকজের জবাবও দিয়েছি। শুনেছি আমার বিরুদ্ধে সাংগাঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা কমিটি কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠিয়েছেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কমিটি কোনো নির্দেশ না দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে আছি।’
উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মোতালেব। এর জন্য প্রয়োজনের আইন পরিবর্তনের পরামর্শও দেন তিনি। ওই পোস্টের মন্তব্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্রতিক্রিয়া দেন। ঘটনার পর নেতা-কর্মীদের মধ্যে ‘বিভ্রান্তি’ দূর করতে ২ অক্টোবর আরেকটি পোস্ট দেন আবদুল মোতালেব। অবশ্য পরে দুটি পোস্টই মুছে ফেলেন।
৭৮ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও হৃদ্রোগে ভুগছেন। গত ৯ আগস্ট থেকে দুই মাসের বেশি সময় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।

আইন পরিবর্তন করে হলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা। দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়েছে বিরোধী গ্রুপ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবি জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার। অবশ্য চাপের মুখে পড়ে সেই স্ট্যাটাস তিনি সরিয়ে নেন।
এদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত আসার আগেই সভা-সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর বলে বেড়াচ্ছেন, আবদুল মোতালেব আর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নন।
সভাপতির এই বক্তব্যের পর আবদুল মোতালেবের দলীয় প্রতিপক্ষ সংসদ সদস্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজের অনুসারীরা আনিচুর রহমান নামে এক নেতাকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বলে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এ নিয়ে দুই দিন ধরে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
গতকাল শনিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে উপজেলা সদরের আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় জনতা ভবনের সামনে আ স ম ফিরোজের অনুসারীরা শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে। ওই সভায় সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর।
সমাবেশে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে নিয়ে আবদুল মোতালেব যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সংগঠন পরিপন্থী কাজ। এ কারণে তাঁকে (আবদুল মোতালেব) দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এখন থেকে তিনি আর বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী আলমগীর বলেন, ‘মোতালেবকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছি, তাই তাঁর আর দায়িত্ব নেই। শান্তি সমাবেশে ফিরোজ ভাই বলেছিল, আনিচুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দিতে। কিন্তু আমি দিইনি। ফিরোজ ভাইকে বলেছি, কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে আপনি কমিটি নিয়ে আসেন।’
জেলা সভাপতির এমন বক্তব্যের বিষয়ে আবদুল মোতালেব হাওলাদার বলেন, ‘শিশুকাল থেকে এই সংগঠন করি। এ কারণেই উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, যুবলীগের সভাপতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। পরপর তিনবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই আওয়ামী লীগ করার কারণে বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় আমি ও আমার শিশুসন্তানের ৬৭ বছর সাজা হয়। কারাগারে থাকাকালীন আমার একমাত্র মেয়ের স্বামীকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তবে দলও আমাকে অনেক দিয়েছে। দলের কারণেই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং বড় ছেলে হাসান মাহামুদ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হয়েছে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় ওই স্ট্যাটাস দিইনি। পরবর্তী সময় যখন বুঝেছি, এটা দেওয়া ঠিক হয়নি, তখন ওই স্ট্যাটাস মুছে ফেলেছি। এ বিষয়ে শোকজের জবাবও দিয়েছি। শুনেছি আমার বিরুদ্ধে সাংগাঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা কমিটি কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠিয়েছেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কমিটি কোনো নির্দেশ না দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে আছি।’
উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মোতালেব। এর জন্য প্রয়োজনের আইন পরিবর্তনের পরামর্শও দেন তিনি। ওই পোস্টের মন্তব্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্রতিক্রিয়া দেন। ঘটনার পর নেতা-কর্মীদের মধ্যে ‘বিভ্রান্তি’ দূর করতে ২ অক্টোবর আরেকটি পোস্ট দেন আবদুল মোতালেব। অবশ্য পরে দুটি পোস্টই মুছে ফেলেন।
৭৮ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও হৃদ্রোগে ভুগছেন। গত ৯ আগস্ট থেকে দুই মাসের বেশি সময় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৪ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৫ ঘণ্টা আগেজহিরুল আলম পিলু ,শ্যামপুর-কদমতলী (ঢাকা)

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোটাররা প্রভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন।
আলাপকালে নতুন ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাঁদের চাওয়াও নতুন কিছু। ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য তাঁরা সৎ ও শিক্ষিত প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান। বয়স্ক ভোটাররাও সচেতন, তাঁরা ভেবেচিন্তে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান।
এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৯৫ জন। মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ১২টি। এগুলো হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০।
এই আসনে বৈধ প্রার্থী ১৪ জন। তাঁরা হলেন মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (গণঅধিকার পরিষদ), মো. তাইফুর রহমান রাহী (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), শাহিনুর আক্তার সুমি (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্ক্সবাদী), এস এম শাহরিয়া (জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি), মো. ইবরাহীম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. হুমায়ুন কবির (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি), মীর আব্দুস সবুর (জাতীয় পার্টি), মোখলেছুর রহমান কাছেমী (বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি), মো. লুৎফুর রহমান (বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি), মো. গোলাম আজম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. নবী উল্লা (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি) ও মো. সাইফুল আলম (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।
এই আসনের বিভিন্ন এলাকায় একটি আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হলো শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে জোট গঠন নিয়ে। এই দুই দলের জোট গঠন হলে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেত বলে অনেক ভোটার মত প্রকাশ করেন।
যাত্রাবাড়ী এলাকার নতুন ভোটার রাহাত হোসেন বলেন, ‘আমার জীবনে এবার প্রথম ভোট দেব। গত জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নতুন দলের (এনসিপি) প্রার্থীকে ভোট দেব।’
আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হওয়ায় এখন প্রার্থীরা দলীয় কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং এলাকার বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায় করে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা আসলাম বলেন, ‘সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে হয়তো নির্বাচনী পরিবেশ বেশি সরগরম হয়ে উঠত। তবে আমরা পরিবর্তন চাই।’
ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার ভোটার রিকশাচালক মামুন বলেন, ‘আমাদের আয়-রোজগার অনেক কমে গেছে। তাই নির্বাচন নিয়ে তেমন কিছু ভাবছি না। শুনতাছি ভোটে এবার গ্যাঞ্জাম হবে। তাই ভোট না-ও দিতে পারি।’
যোগাযোগ করলে বিএনপির প্রার্থী নবী উল্লা অফিস থেকে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিতে নিষেধ আছে বলে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো সংশয় নেই। জনগণ যদি ঠিকমতো ভোট দিতে পারে তাহলে আমি শতভাগ পাস করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’ কারণ হিসেবে তিনি জানান, ভোটাররা এখন অসৎ, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের ভোটের মাধ্যমে বর্জন করবে। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকার রাস্তাঘাট, হাসপাতাল নির্মাণ ও মেরামত, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুপেয় পানি ও গ্যাস সরবরাহ, জলাবদ্ধতা নিরসন, মাদক, সন্ত্রাস, ইভ টিজিং রোধসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করব।’

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোটাররা প্রভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন।
আলাপকালে নতুন ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাঁদের চাওয়াও নতুন কিছু। ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য তাঁরা সৎ ও শিক্ষিত প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান। বয়স্ক ভোটাররাও সচেতন, তাঁরা ভেবেচিন্তে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান।
এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৯৫ জন। মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ১২টি। এগুলো হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০।
এই আসনে বৈধ প্রার্থী ১৪ জন। তাঁরা হলেন মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (গণঅধিকার পরিষদ), মো. তাইফুর রহমান রাহী (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), শাহিনুর আক্তার সুমি (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্ক্সবাদী), এস এম শাহরিয়া (জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি), মো. ইবরাহীম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. হুমায়ুন কবির (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি), মীর আব্দুস সবুর (জাতীয় পার্টি), মোখলেছুর রহমান কাছেমী (বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি), মো. লুৎফুর রহমান (বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি), মো. গোলাম আজম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. নবী উল্লা (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি) ও মো. সাইফুল আলম (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।
এই আসনের বিভিন্ন এলাকায় একটি আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হলো শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে জোট গঠন নিয়ে। এই দুই দলের জোট গঠন হলে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেত বলে অনেক ভোটার মত প্রকাশ করেন।
যাত্রাবাড়ী এলাকার নতুন ভোটার রাহাত হোসেন বলেন, ‘আমার জীবনে এবার প্রথম ভোট দেব। গত জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নতুন দলের (এনসিপি) প্রার্থীকে ভোট দেব।’
আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হওয়ায় এখন প্রার্থীরা দলীয় কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং এলাকার বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায় করে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা আসলাম বলেন, ‘সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে হয়তো নির্বাচনী পরিবেশ বেশি সরগরম হয়ে উঠত। তবে আমরা পরিবর্তন চাই।’
ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার ভোটার রিকশাচালক মামুন বলেন, ‘আমাদের আয়-রোজগার অনেক কমে গেছে। তাই নির্বাচন নিয়ে তেমন কিছু ভাবছি না। শুনতাছি ভোটে এবার গ্যাঞ্জাম হবে। তাই ভোট না-ও দিতে পারি।’
যোগাযোগ করলে বিএনপির প্রার্থী নবী উল্লা অফিস থেকে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিতে নিষেধ আছে বলে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো সংশয় নেই। জনগণ যদি ঠিকমতো ভোট দিতে পারে তাহলে আমি শতভাগ পাস করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’ কারণ হিসেবে তিনি জানান, ভোটাররা এখন অসৎ, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের ভোটের মাধ্যমে বর্জন করবে। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকার রাস্তাঘাট, হাসপাতাল নির্মাণ ও মেরামত, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুপেয় পানি ও গ্যাস সরবরাহ, জলাবদ্ধতা নিরসন, মাদক, সন্ত্রাস, ইভ টিজিং রোধসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করব।’

আইন পরিবর্তন করে হলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা। দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়েছে বিরোধী গ্রুপ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
১৫ অক্টোবর ২০২৩
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৫ ঘণ্টা আগেনাটোর প্রতিনিধি

নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্রচারণার ‘ভোটের গাড়িতে’ রূপান্তর করেছে।
গতকাল সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্সটির গায়ে নির্বাচনী স্টিকার সাঁটানো। ওপরে স্থাপন করা হয়েছে সাউন্ড সিস্টেম। বেলা ১১টায় পৌরসভার গেটের সামনে প্রথমে ভোটের প্রচারণা করে অ্যাম্বুলেন্সটি।
জানা যায়, ২০২২ সালের শুরুর দিকে ভারত সরকার বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে নাটোর পৌরসভা, নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ও সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি করে মোট তিনটি অত্যাধুনিক আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেয়। ওই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নাটোর পৌরসভা প্রাঙ্গণে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাট্টি নাটোর পৌর মেয়রের কাছে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন।
শহরের মাদ্রাসা মোড়ের বাসিন্দা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স মানেই জীবন বাঁচানোর বাহন। জনবল নিয়োগ দিয়ে এটি মানুষের সেবায় ব্যবহার করা যেত। এটি যদি ভোটের কাজে ব্যবহার করা হয়, তাহলে অসুস্থ মানুষ যাবে কোথায়?’
পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বলেন, ‘সকালে পৌরসভায় এসে দেখি অ্যাম্বুলেন্সে হ্যাঁ-না ভোটের স্টিকার লাগানো। তবে অ্যাম্বুলেন্স হঠাৎ ভোটের গাড়িতে রূপান্তরের বিষয়ে আগে থেকে পৌর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি।’
পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক এস এইচ এম মাগ্ফুরুল হাসান আব্বাসী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। কথা বলে জানাতে পারব।’

নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্রচারণার ‘ভোটের গাড়িতে’ রূপান্তর করেছে।
গতকাল সোমবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্সটির গায়ে নির্বাচনী স্টিকার সাঁটানো। ওপরে স্থাপন করা হয়েছে সাউন্ড সিস্টেম। বেলা ১১টায় পৌরসভার গেটের সামনে প্রথমে ভোটের প্রচারণা করে অ্যাম্বুলেন্সটি।
জানা যায়, ২০২২ সালের শুরুর দিকে ভারত সরকার বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে নাটোর পৌরসভা, নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ও সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি করে মোট তিনটি অত্যাধুনিক আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেয়। ওই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নাটোর পৌরসভা প্রাঙ্গণে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাট্টি নাটোর পৌর মেয়রের কাছে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন।
শহরের মাদ্রাসা মোড়ের বাসিন্দা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স মানেই জীবন বাঁচানোর বাহন। জনবল নিয়োগ দিয়ে এটি মানুষের সেবায় ব্যবহার করা যেত। এটি যদি ভোটের কাজে ব্যবহার করা হয়, তাহলে অসুস্থ মানুষ যাবে কোথায়?’
পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বলেন, ‘সকালে পৌরসভায় এসে দেখি অ্যাম্বুলেন্সে হ্যাঁ-না ভোটের স্টিকার লাগানো। তবে অ্যাম্বুলেন্স হঠাৎ ভোটের গাড়িতে রূপান্তরের বিষয়ে আগে থেকে পৌর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি।’
পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক এস এইচ এম মাগ্ফুরুল হাসান আব্বাসী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। কথা বলে জানাতে পারব।’

আইন পরিবর্তন করে হলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা। দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়েছে বিরোধী গ্রুপ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
১৫ অক্টোবর ২০২৩
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৫ ঘণ্টা আগেঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যক্তিগতভাবে কিনে নিতে হচ্ছে রোগীদের, যা নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। এদিকে কবে ভ্যাকসিন সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে, সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে জানুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ থেকে ফুরিয়ে যায় র্যাবিসের ভ্যাকসিন সরবরাহ। ফলে বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনে শরীরে প্রয়োগ করতে হচ্ছে রোগীদের। সদর হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৪০-১৫০ জন রোগী এই ভ্যাকসিন নিতে আসেন। তবে সরকারি সরবরাহ না থাকায় ২৭ তারিখের পর থেকেই বেসরকারি ভ্যাকসিনের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। হাসপাতালের মজুত শেষ হওয়ার দু-এক দিন পর থেকে জেলার ফার্মেসিতেও আর মিলছে না ভ্যাকসিনটি। ফলে অনেকে ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে গেছেন। আবার অনেকে মেহেরপুর, মাগুরা, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে এনে শরীরে প্রয়োগ করছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কুকুর বিড়াল আঁচড়ানো-কামড়ানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র্যাবিসের ভ্যাকসিন নিতে হয়।
জেলার অন্যান্য হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ২৩ দিন নেই ভ্যাকসিনটির সরবরাহ। যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৫ জন রোগী আসেন এ ভ্যাকসিন নিতে। কোঁটচাদপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ মাস ধরে নেই সরকারি ভ্যাকসিনের সরবরাহ। হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন রোগী আসেন। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ দিন ধরে নেই ভ্যাকসিনের সরবরাহ। এখানে প্রতিদিন গড়ে ৮ জন রোগী আসেন সেবা নিতে। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ১৫ দিন নেই সরকারিভাবে বিনা মূল্যের ভ্যাকসিন সরবরাহ। এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০ জন রোগী আসেন ভ্যাকসিন নিতে। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দ না থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদের বিশেষ বরাদ্দ থেকে কিনে এনে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনা মূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। তাও খুবই কম বলে জানা গেছে।
সদর হাসপাতালের টিকাদান কক্ষে কাজ করা উমায়ের হোসেন বলেন, প্রতিদিন অনেক রোগী আসছে। ভ্যাকসিন কিনে আনতে পারলে তাঁকে দেওয়া হচ্ছে, আবার অনেকেই ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত মাসের ২৭ তারিখ থেকে এখানে ভ্যাকসিনটি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাদের স্টোরে এই ভ্যাকসিনটি বর্তমানে মজুত নেই।

ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যক্তিগতভাবে কিনে নিতে হচ্ছে রোগীদের, যা নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। এদিকে কবে ভ্যাকসিন সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে, সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে জানুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ থেকে ফুরিয়ে যায় র্যাবিসের ভ্যাকসিন সরবরাহ। ফলে বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনে শরীরে প্রয়োগ করতে হচ্ছে রোগীদের। সদর হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৪০-১৫০ জন রোগী এই ভ্যাকসিন নিতে আসেন। তবে সরকারি সরবরাহ না থাকায় ২৭ তারিখের পর থেকেই বেসরকারি ভ্যাকসিনের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। হাসপাতালের মজুত শেষ হওয়ার দু-এক দিন পর থেকে জেলার ফার্মেসিতেও আর মিলছে না ভ্যাকসিনটি। ফলে অনেকে ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে গেছেন। আবার অনেকে মেহেরপুর, মাগুরা, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে এনে শরীরে প্রয়োগ করছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কুকুর বিড়াল আঁচড়ানো-কামড়ানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র্যাবিসের ভ্যাকসিন নিতে হয়।
জেলার অন্যান্য হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ২৩ দিন নেই ভ্যাকসিনটির সরবরাহ। যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৫ জন রোগী আসেন এ ভ্যাকসিন নিতে। কোঁটচাদপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ মাস ধরে নেই সরকারি ভ্যাকসিনের সরবরাহ। হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ জন রোগী আসেন। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ দিন ধরে নেই ভ্যাকসিনের সরবরাহ। এখানে প্রতিদিন গড়ে ৮ জন রোগী আসেন সেবা নিতে। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ১৫ দিন নেই সরকারিভাবে বিনা মূল্যের ভ্যাকসিন সরবরাহ। এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০ জন রোগী আসেন ভ্যাকসিন নিতে। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দ না থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদের বিশেষ বরাদ্দ থেকে কিনে এনে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনা মূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। তাও খুবই কম বলে জানা গেছে।
সদর হাসপাতালের টিকাদান কক্ষে কাজ করা উমায়ের হোসেন বলেন, প্রতিদিন অনেক রোগী আসছে। ভ্যাকসিন কিনে আনতে পারলে তাঁকে দেওয়া হচ্ছে, আবার অনেকেই ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত মাসের ২৭ তারিখ থেকে এখানে ভ্যাকসিনটি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, তাদের স্টোরে এই ভ্যাকসিনটি বর্তমানে মজুত নেই।

আইন পরিবর্তন করে হলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা। দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়েছে বিরোধী গ্রুপ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
১৫ অক্টোবর ২০২৩
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৪ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৫ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৫ ঘণ্টা আগেনীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়। এতে ক্যানেলের পাশে থাকা শতাধিক একর জমির সরিষা, বোরো বীজতলা, ভুট্টা, আলু ও রবিশস্য পানিতে তলিয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, ‘চলতি বোরো মৌসুমের (খরিপ-১) তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে ১৫ জানুয়ারি থেকে পানি দেওয়া শুরু হয়। ওই সেচের পানি পেয়ে তিস্তার কমান্ড এলাকার দিনাজপুর নালার উভয় পারের কৃষকেরা বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে চারা রোপণ করছেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলে সেচ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় গতকাল খালের পাড় ভেঙে আমার জমিসহ আশপাশের শতাধিক একর জমি পানিতে তলিয়ে যায়।’
সিংদই গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত বাড়ি থেকে এসে দেখি আমার ১০ বিঘা জমির ফসল পানির নিচে ডুবে রয়েছে। সেই সঙ্গে এনজিও থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পাঁচ বিঘা জমি লাগানো আলুর খেত নষ্ট হয়ে গেছে।’ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, ‘এর আগে ২০১৫ ও ২০২৪ সালেও খালের পাড় বিধ্বস্ত হয়েছিল। সে সময়ে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।’
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ওই এলাকার নীলফামারী-পঞ্চপুকুর ইউপি সড়কটি অবরোধ করে ক্ষতিপূরণের দাবি তোলেন। এ সময় নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তিনি কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, যত দূর ধারণা, ওই স্থানে ইঁদুরের গর্ত ছিল। সেচের জন্য নালায় পানি ছাড়ায় ইঁদুরের গর্ত দিয়ে পানি বের হয়ে খালের তীর বা পাড় ২০ ফুট বিধ্বস্ত হয়েছে।
আতিকুর রহমান আরও বলেন, ‘যেহেতু সেচনির্ভর বোরো আবাদ শুরু হয়েছে। আমরা দ্রুত বিধ্বস্ত স্থানটি মেরামত করে সেচ কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে পারব। তবে দিনাজপুর নালার (ক্যানেল) বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেচ প্রকল্পের রংপুর ও বগুড়া ক্যানেলে সেচ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প থেকে চলতি খরিপ-১ বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়। এতে ৫৭ হাজার হেক্টর জমিতে সেচের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে পাউবো। এর মধ্যে নীলফামারী জেলার ৩৭ হাজার ৩০০ হেক্টর, রংপুর জেলায় ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর ও দিনাজপুর জেলার ৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমি সেচ পাবে। সূত্রমতে চলতি খরিপ-১ মৌসুমে কমান্ড এলাকায় টানা মে মাস পর্যন্ত ৫ মাস বোরো ও রবি মৌসুমের জন্য কৃষকেরা তিস্তার সেচ পাবেন।

নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়। এতে ক্যানেলের পাশে থাকা শতাধিক একর জমির সরিষা, বোরো বীজতলা, ভুট্টা, আলু ও রবিশস্য পানিতে তলিয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, ‘চলতি বোরো মৌসুমের (খরিপ-১) তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে ১৫ জানুয়ারি থেকে পানি দেওয়া শুরু হয়। ওই সেচের পানি পেয়ে তিস্তার কমান্ড এলাকার দিনাজপুর নালার উভয় পারের কৃষকেরা বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে চারা রোপণ করছেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলে সেচ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় গতকাল খালের পাড় ভেঙে আমার জমিসহ আশপাশের শতাধিক একর জমি পানিতে তলিয়ে যায়।’
সিংদই গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত বাড়ি থেকে এসে দেখি আমার ১০ বিঘা জমির ফসল পানির নিচে ডুবে রয়েছে। সেই সঙ্গে এনজিও থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পাঁচ বিঘা জমি লাগানো আলুর খেত নষ্ট হয়ে গেছে।’ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, ‘এর আগে ২০১৫ ও ২০২৪ সালেও খালের পাড় বিধ্বস্ত হয়েছিল। সে সময়ে আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।’
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ওই এলাকার নীলফামারী-পঞ্চপুকুর ইউপি সড়কটি অবরোধ করে ক্ষতিপূরণের দাবি তোলেন। এ সময় নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তিনি কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, যত দূর ধারণা, ওই স্থানে ইঁদুরের গর্ত ছিল। সেচের জন্য নালায় পানি ছাড়ায় ইঁদুরের গর্ত দিয়ে পানি বের হয়ে খালের তীর বা পাড় ২০ ফুট বিধ্বস্ত হয়েছে।
আতিকুর রহমান আরও বলেন, ‘যেহেতু সেচনির্ভর বোরো আবাদ শুরু হয়েছে। আমরা দ্রুত বিধ্বস্ত স্থানটি মেরামত করে সেচ কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে পারব। তবে দিনাজপুর নালার (ক্যানেল) বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেচ প্রকল্পের রংপুর ও বগুড়া ক্যানেলে সেচ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প থেকে চলতি খরিপ-১ বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়। এতে ৫৭ হাজার হেক্টর জমিতে সেচের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে পাউবো। এর মধ্যে নীলফামারী জেলার ৩৭ হাজার ৩০০ হেক্টর, রংপুর জেলায় ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর ও দিনাজপুর জেলার ৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমি সেচ পাবে। সূত্রমতে চলতি খরিপ-১ মৌসুমে কমান্ড এলাকায় টানা মে মাস পর্যন্ত ৫ মাস বোরো ও রবি মৌসুমের জন্য কৃষকেরা তিস্তার সেচ পাবেন।

আইন পরিবর্তন করে হলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা। দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়েছে বিরোধী গ্রুপ। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
১৫ অক্টোবর ২০২৩
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৪ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৫ ঘণ্টা আগে