জহিরুল আলম পিলু ,শ্যামপুর-কদমতলী (ঢাকা)

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোটাররা প্রভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন।
আলাপকালে নতুন ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাঁদের চাওয়াও নতুন কিছু। ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য তাঁরা সৎ ও শিক্ষিত প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান। বয়স্ক ভোটাররাও সচেতন, তাঁরা ভেবেচিন্তে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান।
এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৯৫ জন। মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ১২টি। এগুলো হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০।
এই আসনে বৈধ প্রার্থী ১৪ জন। তাঁরা হলেন মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (গণঅধিকার পরিষদ), মো. তাইফুর রহমান রাহী (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), শাহিনুর আক্তার সুমি (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্ক্সবাদী), এস এম শাহরিয়া (জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি), মো. ইবরাহীম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. হুমায়ুন কবির (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি), মীর আব্দুস সবুর (জাতীয় পার্টি), মোখলেছুর রহমান কাছেমী (বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি), মো. লুৎফুর রহমান (বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি), মো. গোলাম আজম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. নবী উল্লা (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি) ও মো. সাইফুল আলম (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।
এই আসনের বিভিন্ন এলাকায় একটি আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হলো শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে জোট গঠন নিয়ে। এই দুই দলের জোট গঠন হলে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেত বলে অনেক ভোটার মত প্রকাশ করেন।
যাত্রাবাড়ী এলাকার নতুন ভোটার রাহাত হোসেন বলেন, ‘আমার জীবনে এবার প্রথম ভোট দেব। গত জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নতুন দলের (এনসিপি) প্রার্থীকে ভোট দেব।’
আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হওয়ায় এখন প্রার্থীরা দলীয় কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং এলাকার বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায় করে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা আসলাম বলেন, ‘সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে হয়তো নির্বাচনী পরিবেশ বেশি সরগরম হয়ে উঠত। তবে আমরা পরিবর্তন চাই।’
ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার ভোটার রিকশাচালক মামুন বলেন, ‘আমাদের আয়-রোজগার অনেক কমে গেছে। তাই নির্বাচন নিয়ে তেমন কিছু ভাবছি না। শুনতাছি ভোটে এবার গ্যাঞ্জাম হবে। তাই ভোট না-ও দিতে পারি।’
যোগাযোগ করলে বিএনপির প্রার্থী নবী উল্লা অফিস থেকে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিতে নিষেধ আছে বলে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো সংশয় নেই। জনগণ যদি ঠিকমতো ভোট দিতে পারে তাহলে আমি শতভাগ পাস করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’ কারণ হিসেবে তিনি জানান, ভোটাররা এখন অসৎ, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের ভোটের মাধ্যমে বর্জন করবে। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকার রাস্তাঘাট, হাসপাতাল নির্মাণ ও মেরামত, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুপেয় পানি ও গ্যাস সরবরাহ, জলাবদ্ধতা নিরসন, মাদক, সন্ত্রাস, ইভ টিজিং রোধসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করব।’

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোটাররা প্রভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন।
আলাপকালে নতুন ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তাঁদের চাওয়াও নতুন কিছু। ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য তাঁরা সৎ ও শিক্ষিত প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান। বয়স্ক ভোটাররাও সচেতন, তাঁরা ভেবেচিন্তে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন বলে জানান।
এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৯৫ জন। মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ১২টি। এগুলো হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০।
এই আসনে বৈধ প্রার্থী ১৪ জন। তাঁরা হলেন মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (গণঅধিকার পরিষদ), মো. তাইফুর রহমান রাহী (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), শাহিনুর আক্তার সুমি (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্ক্সবাদী), এস এম শাহরিয়া (জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি), মো. ইবরাহীম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. হুমায়ুন কবির (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি), মীর আব্দুস সবুর (জাতীয় পার্টি), মোখলেছুর রহমান কাছেমী (বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি), মো. লুৎফুর রহমান (বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি), মো. গোলাম আজম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. নবী উল্লা (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি) ও মো. সাইফুল আলম (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।
এই আসনের বিভিন্ন এলাকায় একটি আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হলো শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে জোট গঠন নিয়ে। এই দুই দলের জোট গঠন হলে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেত বলে অনেক ভোটার মত প্রকাশ করেন।
যাত্রাবাড়ী এলাকার নতুন ভোটার রাহাত হোসেন বলেন, ‘আমার জীবনে এবার প্রথম ভোট দেব। গত জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নতুন দলের (এনসিপি) প্রার্থীকে ভোট দেব।’
আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু না হওয়ায় এখন প্রার্থীরা দলীয় কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক, সামাজিক ও ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং এলাকার বিভিন্ন মসজিদে নামাজ আদায় করে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা আসলাম বলেন, ‘সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে হয়তো নির্বাচনী পরিবেশ বেশি সরগরম হয়ে উঠত। তবে আমরা পরিবর্তন চাই।’
ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার ভোটার রিকশাচালক মামুন বলেন, ‘আমাদের আয়-রোজগার অনেক কমে গেছে। তাই নির্বাচন নিয়ে তেমন কিছু ভাবছি না। শুনতাছি ভোটে এবার গ্যাঞ্জাম হবে। তাই ভোট না-ও দিতে পারি।’
যোগাযোগ করলে বিএনপির প্রার্থী নবী উল্লা অফিস থেকে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিতে নিষেধ আছে বলে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো সংশয় নেই। জনগণ যদি ঠিকমতো ভোট দিতে পারে তাহলে আমি শতভাগ পাস করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’ কারণ হিসেবে তিনি জানান, ভোটাররা এখন অসৎ, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের ভোটের মাধ্যমে বর্জন করবে। আমি নির্বাচিত হলে এই এলাকার রাস্তাঘাট, হাসপাতাল নির্মাণ ও মেরামত, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুপেয় পানি ও গ্যাস সরবরাহ, জলাবদ্ধতা নিরসন, মাদক, সন্ত্রাস, ইভ টিজিং রোধসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করব।’

নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
২ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের পরদিনই শাকসু নির্বাচন, অর্থাৎ কালকে রায় হলে পরশু ইলেকশন। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসুর নির্বাচনের পক্ষে ইতিবাচক রায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে