
‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় পুলিশ ও ছাত্রলীগের সদস্যরা অস্ত্রসহ সেখানে ঢুকে গালাগালি করেন। তাঁরা আহত ব্যক্তিদের ছবি তোলেন এবং মামলা করেন।’

শুনানি শেষে আদালত রিয়াদের দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন ও অন্যদের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। তবে প্রত্যেকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে তিনজনকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়। রিয়াদকে আজই রিমান্ডে নেওয়া হবে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত গুম-খুন ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দেড় সহস্রাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সারা দেশে মামলা হলেও বিচার দৃশ্যমান কেবল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। ট্রাইব্যুনালের বাইরে থাকা মামলাগুলোয় তেমন অগ্রগতি নেই।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সারা দেশে চালানো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছে আন্দোলনে গুলিতে আহত ১৭ বছরের কিশোর আদহাম বিন আমিন। আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার জবানবন্দি নেওয়া হয়।