বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার তালতলীর একটি ক্লিনিকে প্রসূতির অস্ত্রোপচারের সময় নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলা হাসপাতালের পূর্ব পাশের দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।
নবজাতকের বাবা ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘প্রসব বেদনা উঠলে স্ত্রীকে দোয়েল ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে কিছু টেস্ট দেয়। টেস্ট রিপোর্ট পেয়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বলে, দ্রুত সিজার করাতে হবে। না হলে বাচ্চা বাঁচানো যাবে না। পরে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ১৮ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। সন্ধ্যায় চিকিৎসক রুনা রহমান স্ত্রীর সিজার করেন। একপর্যায়ে বাচ্চার পিঠ থেকে রক্ত ঝরার বিষয়টি ধরা পড়ে। বিষয়টি বললেও ডাক্তার গুরুত্ব দেননি। পরে খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ আসে।’
ইব্রাহিম খলিলের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে অপারেশন থিয়েটারে প্রায় দেড় ঘণ্টা রাখা হয়। ডাক্তারের ভুলে বাচ্চার পিঠ কেটেছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে জানতে দোয়েল ক্লিনিকের মালিক রাসেল মিয়াকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ ছাড়া চিকিৎসক রুনা রহমানের ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে।
তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. সুমন পোদ্দার বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনার সিভিল সার্জন মো. ফজলুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার খবর পাওয়ার পর ঘটনা তদন্তের জন্য তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং আরএমওকে নির্দেশ দিয়েছি। ওই চিকিৎসকের গাফিলতি ছিল কিনা, তাঁর চিকিৎসার অনুমতিসহ কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা বা ক্লিনিকটি বৈধ কিনা—সব যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ গা-ঢাকা দিয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বরগুনার তালতলীর একটি ক্লিনিকে প্রসূতির অস্ত্রোপচারের সময় নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলা হাসপাতালের পূর্ব পাশের দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।
নবজাতকের বাবা ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘প্রসব বেদনা উঠলে স্ত্রীকে দোয়েল ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে কিছু টেস্ট দেয়। টেস্ট রিপোর্ট পেয়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বলে, দ্রুত সিজার করাতে হবে। না হলে বাচ্চা বাঁচানো যাবে না। পরে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ১৮ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। সন্ধ্যায় চিকিৎসক রুনা রহমান স্ত্রীর সিজার করেন। একপর্যায়ে বাচ্চার পিঠ থেকে রক্ত ঝরার বিষয়টি ধরা পড়ে। বিষয়টি বললেও ডাক্তার গুরুত্ব দেননি। পরে খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ আসে।’
ইব্রাহিম খলিলের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে অপারেশন থিয়েটারে প্রায় দেড় ঘণ্টা রাখা হয়। ডাক্তারের ভুলে বাচ্চার পিঠ কেটেছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে জানতে দোয়েল ক্লিনিকের মালিক রাসেল মিয়াকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ ছাড়া চিকিৎসক রুনা রহমানের ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে।
তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. সুমন পোদ্দার বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনার সিভিল সার্জন মো. ফজলুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার খবর পাওয়ার পর ঘটনা তদন্তের জন্য তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং আরএমওকে নির্দেশ দিয়েছি। ওই চিকিৎসকের গাফিলতি ছিল কিনা, তাঁর চিকিৎসার অনুমতিসহ কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা বা ক্লিনিকটি বৈধ কিনা—সব যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ গা-ঢাকা দিয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রতীক বরাদ্দের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের প্রচার করায় রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এবি পার্টির প্রার্থী মু. সাঈদ নোমানকে আদালতে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাঁকে সশরীর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘আমি যদি ভোট পাওয়ার মতো কাজ করে থাকি, তাহলে আওয়ামী লীগের সমর্থকেরাও আমাকে ভোট দেবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের শতভাগ ভোট পাব।’ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডাকসুর...
১ ঘণ্টা আগে
রিয়াজ মোল্লা জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন একটি প্রয়োজনীয় কাগজ সময়মতো জমা না দেওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। এই কারণে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ শহীদ সারোয়ার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি। কারাগারে বসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৈধ হওয়ায়...
২ ঘণ্টা আগে