আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলীতে অতিসংক্রামক চর্ম রোগে আক্রান্ত কয়েক হাজার গরু। কোরবানির আগে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ায় সুস্থ পশু পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ক্রেতারা। কোরবানি সামনে রেখে পশু পালন করেছিলেন যে সব খামারিরা তারা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
উপজেলার ৫০ শতাংশের বেশি গরু লাম্পি স্কিন ডিজিজে (এলএসডি) আক্রান্ত। গত তিন মাসে ৩ শতাধিক গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। উপজেলার ৩৫ হাজার গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা। কোরবানির আগে গরু সুস্থ রাখাই এখন তাদের বড় চ্যালেঞ্জ। গরু এলএসডিতে আক্রান্তের কারণে বাজারে ধস নেমেছে। বাজার প্রায় ক্রেতা শূন্য।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের কর্মকর্তারা গরুর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে এ রোগের ভ্যাকসিন না থাকায় বিপাকে খামারি ও কৃষকেরা। দ্রুত সরকারিভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিকে গরুর লাম্পি স্কিন রোগ ছড়িয়ে পরায় পশুর হাটে গরু ক্রয়-বিক্রয়ে ধস নেমেছে।
আমতলী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলায় খামারিদের ৩৫ হাজারের মতো গরু রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ গরু এলএসডিতে আক্রান্ত। মারা গেছে ১ থেকে ২ শতাংশ গরু। প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর এ রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদন করেনি। দেশীয় ও শাহীওয়াল (লাল গরু) এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।’
জানা গেছে, গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় আমতলী উপজেলায় লাম্পি স্কিন ডিজিজে (এলএসডি) আক্রান্ত হতে শুরু করে গরু। মশা-মাছি বাহিত এ রোগ দ্রুত উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে মহামারি আকারে ধারণ করেছে এ রোগ। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস আড়াই হাজারের বেশি আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা দিয়েছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে এ রোগের ভ্যাকসিন নেই। ভ্যাকসিন না থাকায় গরুর খামারি ও কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। খামারিদের ফার্মেসি থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ কিনতে হচ্ছে। কোরবানি এগিয়ে আসলেও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় মানুষ আগে আগে গরু কিনছেন না।
স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এলএসডিতে গরু আক্রান্ত হওয়ায় বেশি দিন আগে গরু কেনার চিন্তা করছি না। কোরবানির দু-এক দিন আগে গরু কিনব।’
খামারি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘খামারে ৭টি গরুর তিনটিই লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে গরু এনে ব্যবস্থাপত্র নিয়েছি। কিন্তু প্রাণী সম্পদ অফিসে এ রোগের কোনো ভ্যাকসিন নেই। তাই ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।’
পূর্ব চিলা গ্রামের হেলাল হাওলাদার বলেন, ‘গত শনিবার আমার একটি বাচ্চা গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে’।
খামারি ছত্তার ফকির বলেন, ‘লাখ টাকা দামের একটি ষাঁড়ের শরীরে গোটা উঠে মারা গেছে। আরও দুটি আক্রান্ত হয়েছে।’
আমতলী উপজেলা উপসহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবুল বাশার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গরুর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত তিন মাসে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত দুই হাজার ৫০০ গরু চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ টি গরুর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা নিচ্ছে।’

বরগুনার আমতলীতে অতিসংক্রামক চর্ম রোগে আক্রান্ত কয়েক হাজার গরু। কোরবানির আগে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ায় সুস্থ পশু পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ক্রেতারা। কোরবানি সামনে রেখে পশু পালন করেছিলেন যে সব খামারিরা তারা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
উপজেলার ৫০ শতাংশের বেশি গরু লাম্পি স্কিন ডিজিজে (এলএসডি) আক্রান্ত। গত তিন মাসে ৩ শতাধিক গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। উপজেলার ৩৫ হাজার গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা। কোরবানির আগে গরু সুস্থ রাখাই এখন তাদের বড় চ্যালেঞ্জ। গরু এলএসডিতে আক্রান্তের কারণে বাজারে ধস নেমেছে। বাজার প্রায় ক্রেতা শূন্য।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের কর্মকর্তারা গরুর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে এ রোগের ভ্যাকসিন না থাকায় বিপাকে খামারি ও কৃষকেরা। দ্রুত সরকারিভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিকে গরুর লাম্পি স্কিন রোগ ছড়িয়ে পরায় পশুর হাটে গরু ক্রয়-বিক্রয়ে ধস নেমেছে।
আমতলী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপজেলায় খামারিদের ৩৫ হাজারের মতো গরু রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ গরু এলএসডিতে আক্রান্ত। মারা গেছে ১ থেকে ২ শতাংশ গরু। প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর এ রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদন করেনি। দেশীয় ও শাহীওয়াল (লাল গরু) এ রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।’
জানা গেছে, গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় আমতলী উপজেলায় লাম্পি স্কিন ডিজিজে (এলএসডি) আক্রান্ত হতে শুরু করে গরু। মশা-মাছি বাহিত এ রোগ দ্রুত উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে মহামারি আকারে ধারণ করেছে এ রোগ। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস আড়াই হাজারের বেশি আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা দিয়েছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে এ রোগের ভ্যাকসিন নেই। ভ্যাকসিন না থাকায় গরুর খামারি ও কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। খামারিদের ফার্মেসি থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ কিনতে হচ্ছে। কোরবানি এগিয়ে আসলেও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় মানুষ আগে আগে গরু কিনছেন না।
স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এলএসডিতে গরু আক্রান্ত হওয়ায় বেশি দিন আগে গরু কেনার চিন্তা করছি না। কোরবানির দু-এক দিন আগে গরু কিনব।’
খামারি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘খামারে ৭টি গরুর তিনটিই লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে গরু এনে ব্যবস্থাপত্র নিয়েছি। কিন্তু প্রাণী সম্পদ অফিসে এ রোগের কোনো ভ্যাকসিন নেই। তাই ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।’
পূর্ব চিলা গ্রামের হেলাল হাওলাদার বলেন, ‘গত শনিবার আমার একটি বাচ্চা গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে’।
খামারি ছত্তার ফকির বলেন, ‘লাখ টাকা দামের একটি ষাঁড়ের শরীরে গোটা উঠে মারা গেছে। আরও দুটি আক্রান্ত হয়েছে।’
আমতলী উপজেলা উপসহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবুল বাশার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গরুর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত তিন মাসে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত দুই হাজার ৫০০ গরু চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ টি গরুর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা নিচ্ছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে