Ajker Patrika

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সুন্দরবনে মাছ শিকার, শুঁটকি-জাল-নৌকা জব্দ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সুন্দরবনে মাছ শিকার, শুঁটকি-জাল-নৌকা জব্দ
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সুন্দরবনে মাছ শিকার করে শুঁটকি তৈরি, জাল ও নৌকা জব্দ করেছে বন বিভাগ। ছবি: আজকের পত্রিকা

সুন্দরবনে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চললেও তা উপেক্ষা করে অবাধে শিকার চালিয়ে যাচ্ছেন এক শ্রেণির জেলে। বন বিভাগের ধারাবাহিক অভিযানে দুই দিনের ব্যবধানে শেলারচর বনাঞ্চলে আরও একটি অবৈধ শুঁটকি মাচা (রং ঘর) গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় শুঁটকি, মাছ ধরার জাল ও নৌকা জব্দ করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা গতকাল শুক্রবার টহল দেন। সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির আওতাধীন কালামিয়া ও নারিকেলবাড়ীয়া খাল-সংলগ্ন দুর্গম সুন্দরবনের মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে বনের মধ্যে অবৈধভাবে জেলেদের বানানো শুঁটকি তৈরির মাচা (রং ঘর) দেখতে পায়। বনরক্ষীরা মাচা (রং ঘর) থেকে ২ বস্তা শুঁটকি চিংড়ি জব্দ করেন। এ ছাড়া ১টি জেলে নৌকা, ২টি টুনা জাল এবং একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। বনরক্ষীদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে শুঁটকি উৎপাদনকারী জেলেরা সুন্দরবনের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে বনরক্ষীরা শুঁটকির মাচা ভেঙে ধ্বংস করে।

অপর দিকে, ওই দিন বিকেলে সুন্দরবনের কোকিলমোনি টহল ফাঁড়ির কবরখালী খাল থেকে মাছ ধরার ৪টি জেলে নৌকাসহ ১৫টি চর জাল জব্দ করে বনরক্ষীরা। বনরক্ষীদের দেখতে পেয়ে নৌকায় থাকা জেলেরা লাফিয়ে সুন্দরবনের ভেতর পালিয়ে যায়।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে সুন্দরবনে তিন মাসের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এক শ্রেণির জেলেরা আইন অমান্য করে সুন্দরবনের শেলারচরের দুর্গম বনাঞ্চলের মধ্যে অবৈধভাবে শুঁটকির মাচা (রং ঘর) বানিয়ে চিংড়ি মাছ শুঁটকি করছিল। বনরক্ষীদের অভিযানে শুঁটকির মাচা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অপরাধীদের ধরার জন্য সুন্দরবনে টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত