
জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে গত ১ জুন থেকে টানা তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। পরিবেশ সংরক্ষণের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও আয়-রোজগারের একমাত্র উৎস হারিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বনজীবী ও পর্যটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

সুন্দরবনে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চললেও তা উপেক্ষা করে অবাধে শিকার চালিয়ে যাচ্ছেন এক শ্রেণির জেলে। বন বিভাগের ধারাবাহিক অভিযানে দুই দিনের ব্যবধানে শেলারচর বনাঞ্চলে আরও একটি অবৈধ শুঁটকি মাচা (রং ঘর) গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবনের বাঘ ও এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, বাঘ সংরক্ষণ শুধু একটি প্রাণীকে রক্ষা করা নয়, বরং সুন্দরবনের পুরো বাস্তুতন্ত্র, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণের বি

সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা গত এক দশকে প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫ সালে যেখানে বাঘের সংখ্যা ছিল ১০৬টি, সেখানে সর্বশেষ ২০২৪ সালের জরিপে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫টিতে। একই সময়ে অন্তত ১৯টি বাঘশাবকও শনাক্ত হয়েছে, যা সুন্দরবনে বাঘের প্রজনন ও সংরক্ষণ কার্যক্রমে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।