বাগেরহাট প্রতিনিধি

তিন পরে নিয়ন্ত্রণে এসেছে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের আমরবুনিয়া এলাকার আগুন। তবে এখনো পুরোপুরি নেভেনি। আরও দু’তিন দিন পর্যবেক্ষণ করা হবে। আজ সোমবার দুপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাংলাদেশের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম আমরবুনিয়া এলাকায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে জেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, পুলিশ, কোস্টগার্ড, বিমানবাহিনী একযোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। প্রায় দুই দিনের চেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। এটা শুধু সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। এখন প্রশ্ন থাকে নির্বাপণের, আসলে সুন্দরবনের আগুন নির্বাপণ অনেক কঠিন ব্যাপার। এর জন্য কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। আমরা তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী দু–তিন দিন বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পর্যবেক্ষণে থাকবেন।
এটি সাধারণ কোনো আগুন ছিল না উল্লেখ করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম আরও বলেন, বনের এই আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ফায়ার ক্যানাল পদ্ধতি, বুশ ফায়ার টার্মিং পদ্ধতি, ফায়ার ব্রেক পদ্ধতিসহ নানা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে আমরা প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে ফায়ার ক্যানাল তৈরি করেছি।
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও বনের মধ্যে ধোঁয়া দেখা গেছে। বনরক্ষী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা বিভিন্ন জায়গায় আগুনের কুণ্ডলী খুঁজছেন। কোথাও ধোঁয়া দেখলে বন বিভাগের কর্মীরা পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক কবির মৃধা বলেন, ‘আসলে এখনো আগুন নেভেনি। আমরা বন বিভাগের সঙ্গে বনের মধ্যে ঘুরছি। যেখানে ধোয়া উড়ছে, সেখানে পানি দেওয়া হচ্ছে।’
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম বলেন, ‘আমরা এখনই বন ছাড়ছি না। আরও দুই থেকে তিন দিন আমরা বনের মধ্যে পর্যবেক্ষণ করব। এরপরে সম্পূর্ণভাবে আগুন নির্বাপণ হয়েছে ঘোষণা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ড্রোন দিয়েও পরীক্ষা করে দেখেছি। দুপুরের দিকে দু–একবার ধোঁয়া উড়তে দেখে সঙ্গে সঙ্গে স্থান শনাক্ত করে পানি ছিটানো হয়েছে। দুপুরের পর থেকে কোথাও আগুন দেখছি না। আপনারা জানেন আগুনটা গ্রাউন্ড ফায়ার, তুষের মতো নিচে থেকে যায়।’
আগুনের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানতে চাইলে এ বন কর্মকর্তা বলেন, ‘যে এলাকায় আগুন লেগেছে সেখানে বেশির ভাগ বলা গাছ। বলা গাছ হচ্ছে এক ধরনের জ্বালানি। আর কিছু সুন্দরী গাছ এখানে আছে। আগুন যেহেতু নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, আমরা পরবর্তীতে জানতে পারব ক্ষয়ক্ষতি কী পরিমাণ হয়েছে। এখনো আমরা পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে পারিনি। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিলে ক্ষতির পরিমাণ জানানো সম্ভব হবে।’
গত শনিবার (৪ মে) বিকেলে সুন্দরবনের আমরবুনিয়া এলাকায় আগুনের খবর পায় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ। এরপর বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে সন্ধ্যা নেমে যাওয়ায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করা হয়নি। পরদিন রোববার সকালে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আজ সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন বাহিনী সম্মিলিতভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দুপুর নাগাদ আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

তিন পরে নিয়ন্ত্রণে এসেছে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের আমরবুনিয়া এলাকার আগুন। তবে এখনো পুরোপুরি নেভেনি। আরও দু’তিন দিন পর্যবেক্ষণ করা হবে। আজ সোমবার দুপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাংলাদেশের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম আমরবুনিয়া এলাকায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে জেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, পুলিশ, কোস্টগার্ড, বিমানবাহিনী একযোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। প্রায় দুই দিনের চেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। এটা শুধু সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। এখন প্রশ্ন থাকে নির্বাপণের, আসলে সুন্দরবনের আগুন নির্বাপণ অনেক কঠিন ব্যাপার। এর জন্য কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। আমরা তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী দু–তিন দিন বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পর্যবেক্ষণে থাকবেন।
এটি সাধারণ কোনো আগুন ছিল না উল্লেখ করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম আরও বলেন, বনের এই আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ফায়ার ক্যানাল পদ্ধতি, বুশ ফায়ার টার্মিং পদ্ধতি, ফায়ার ব্রেক পদ্ধতিসহ নানা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে আমরা প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে ফায়ার ক্যানাল তৈরি করেছি।
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও বনের মধ্যে ধোঁয়া দেখা গেছে। বনরক্ষী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা বিভিন্ন জায়গায় আগুনের কুণ্ডলী খুঁজছেন। কোথাও ধোঁয়া দেখলে বন বিভাগের কর্মীরা পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক কবির মৃধা বলেন, ‘আসলে এখনো আগুন নেভেনি। আমরা বন বিভাগের সঙ্গে বনের মধ্যে ঘুরছি। যেখানে ধোয়া উড়ছে, সেখানে পানি দেওয়া হচ্ছে।’
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম বলেন, ‘আমরা এখনই বন ছাড়ছি না। আরও দুই থেকে তিন দিন আমরা বনের মধ্যে পর্যবেক্ষণ করব। এরপরে সম্পূর্ণভাবে আগুন নির্বাপণ হয়েছে ঘোষণা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ড্রোন দিয়েও পরীক্ষা করে দেখেছি। দুপুরের দিকে দু–একবার ধোঁয়া উড়তে দেখে সঙ্গে সঙ্গে স্থান শনাক্ত করে পানি ছিটানো হয়েছে। দুপুরের পর থেকে কোথাও আগুন দেখছি না। আপনারা জানেন আগুনটা গ্রাউন্ড ফায়ার, তুষের মতো নিচে থেকে যায়।’
আগুনের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানতে চাইলে এ বন কর্মকর্তা বলেন, ‘যে এলাকায় আগুন লেগেছে সেখানে বেশির ভাগ বলা গাছ। বলা গাছ হচ্ছে এক ধরনের জ্বালানি। আর কিছু সুন্দরী গাছ এখানে আছে। আগুন যেহেতু নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, আমরা পরবর্তীতে জানতে পারব ক্ষয়ক্ষতি কী পরিমাণ হয়েছে। এখনো আমরা পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে পারিনি। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিলে ক্ষতির পরিমাণ জানানো সম্ভব হবে।’
গত শনিবার (৪ মে) বিকেলে সুন্দরবনের আমরবুনিয়া এলাকায় আগুনের খবর পায় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ। এরপর বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে সন্ধ্যা নেমে যাওয়ায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করা হয়নি। পরদিন রোববার সকালে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আজ সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন বাহিনী সম্মিলিতভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দুপুর নাগাদ আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে